
মো.মোকলেসুর রহমান মামুন :
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের কৈবর্ত্তগাতী গ্রামে বসতঘরের তালা ভেঙে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও রূপার গহনাসহ প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামাল চুরির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী মো. আমিরুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন ২০২৬) উল্লাপাড়া মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা চোরদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ দায়ের করা হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের কৈবত্তগাঁতী গ্রামের বাসিন্দা মো. আমিরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী মোছা. নাফিজা খাতুন গত ৯ জুন রাতে বাড়ির উত্তর দুয়ারী একটি কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন। বাড়ির দক্ষিণ দুয়ারী টিনশেড ঘরটিতে তারা কয়েকদিন ধরে রাতযাপন করছিলেন না।
পরদিন ১০ জুন ভোরে ঘুম থেকে উঠে দক্ষিণ দুয়ারী ঘরের দরজার তালা ভাঙা এবং দরজা খোলা দেখতে পান তারা। পরে ঘরের ভেতরে গিয়ে দেখতে পান বিভিন্ন কাপড়চোপড় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে এবং শোকেসের ড্রয়ার খোলা। একটি ড্রয়ারও খুঁজে পাওয়া যায়নি।
ভুক্তভোগীর দাবি, ওই ড্রয়ারে রাখা নগদ ৮৬ হাজার টাকা, বিভিন্ন ধরনের স্বর্ণালংকার ও রূপার গহনা চুরি হয়েছে। চুরি যাওয়া মালামালের মধ্যে রয়েছে স্বর্ণের হার, হাতের রুলি, দুল, সেসারিং, নাকফুল এবং তিন জোড়া রূপার নুপুর। সব মিলিয়ে চুরি যাওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য ১০ লাখ ১২ হাজার টাকা।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ৯ জুন রাত সাড়ে ১১টা থেকে ১০ জুন ভোর ৩টার মধ্যে যেকোনো সময়ে অজ্ঞাতনামা চোর বা চোরেরা ঘরের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এসব মালামাল নিয়ে যায়।
এবিষয়ে ভুক্তভোগী মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, আমার বাড়ির স্বর্ণালংকারসহ আনুমানিক ১০ লক্ষ টাকার বেশি চুরি হয়েছে৷ আমি গতকাল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আশা করি পুলিশ তদন্ত করে চোরদের ধরবে এবং আমি আমার চুরি যাওয়া মালামাল ফেরত পাবো।
ঘটনার পর স্থানীয় কয়েকজনকে নিয়ে চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা করেও কোনো সন্ধান পাননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা উল্লাপাড়া মডেল থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল কাদের বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজন হইলে মামলা নেওয়া হবে।