
সিরাজগঞ্জ সংবাদ প্রতিবেদক:
গৃহবধুকে ধর্ষণ করতে এসে এলাকাবাসীর হাতে আটক হয়েছিলেন আশরাফুল ইসলাম ভূঁইয়া (২৮) নামের এক যুবক। পরে সন্ত্রাসী কায়দায় ২৫ থেকে ৩০ জনের একটি সসঙ্ঘবদ্ধ দল আশরাফুলকে আটক অবস্থা থেকে ঘরের তালা ভেঙে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এমনই এক ঘটনা ঘটেছে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের বিয়ারা দক্ষিণপাড়া গ্রামে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ছোট কুরা গ্রামের তাঁরা ভূঁইয়ার ছেলে আশরাফুল ইসলাম ভূঁইয়া একজন বখাটে যুবক। পাশের বাড়ির প্রবাসী আশরাফুল ইসলামের স্ত্রী রুবিয়া খাতুনকে দীর্ঘদিন যাবত কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলো। কিন্তু গৃহবধু রুবিয়া তাতে রাজী না হওয়ায় প্রায় ৮ মাস আগে রুবিয়াকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে আশরাফুল। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে সিরাজগঞ্জ আদালতে একটি ধর্ষণ মামলা করে ভুক্তভোগী রুবিয়া খাতুন। এ মামলায় আদালত থেকে অস্থায়ী জামিন নিয়ে এলাকায় আবারো ত্রাসের রাজত্ব গড়ে তোলে আশরাফুল ইসলাম ভূঁইয়া। হয়রানিমূলক মামলা দেয় রুবিয়া খাতুনের শশুর ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে। তাতেও যখন কোনো কাজ হচ্ছিলোনা তখন আবারো উত্যক্ত করতে থাকে গৃহিণী রুবিয়াকে।
একপর্যায়ে গত মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাতে কৌশলে আশরাফুল ইসলাম ভূঁইয়া রুবিয়ার ঘরে প্রবেশ করলে গ্রামবাসীরা তাকে আটক করে। আটকাবস্থায় থাকার পর সকালের দিকে ২৫ থেকে ৩০ জনের একটি সঙ্ঘবদ্ধ দল দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাড়িতে ভাঙচুর করে বাড়ির মহিলাদেরকে মারধর করে ঘরের তালা ভেঙে আশরাফুল ইসলাম ভূঁইয়াকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। সাথে ঘরে থাকা ৪ লাখ নগদ টাকা ও প্রায় ৫ ভড়ি সোনার গহনা নিয়ে যায় বলেও অভিযোগ ওই পরিবারের। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
এবিষয়ে কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: হাসমত আলী বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। এঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগও দেয়নি। অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।