
সিরাজগঞ্জ সংবাদ প্রতিবেদক:
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন ডাকাতি ঘটনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সোমবার (১৫ জুন ২০২৬) বিকেলে জেলা পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার জনাব সাইফুল ইসলাম সানতুর নির্দেশনায় কামারখন্দ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাশমত আলীর নেতৃত্বে এসআই বাবুল আখতার সঙ্গীয় ফোর্সসহ গত ১৪ জুন রাত ১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নাটোরের সিংড়া ও সিরাজগঞ্জের বেলকুচি থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানে গ্রেফতার করা হয় সিরাজগঞ্জের সাদেক আলী ওরফে মোকাদ্দেস (৬২), হৃদয় হাসান (২৬), এনায়েতপুর থানার পাকড়তলা এলাকার মো. ইমদাদুল হক, গোপরেখী পশ্চিমপাড়া এলাকার মো. সুজন (৩১) এবং নাটোরের সিংড়া উপজেলার সোনাপুর এলাকার মো. আরিফুল ইসলাম ওরফে সবুজ (৩১)-কে।
এছাড়া গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি জয়নব খাতুন (স্বামী-সবুজ মিয়া), কামারখন্দ উপজেলার ময়নাকুল এলাকার বাসিন্দাকেও গ্রেফতার করে সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। সাদেক আলীর বিরুদ্ধে ডাকাতি ও চুরির ৫টি, হৃদয় হাসানের বিরুদ্ধে ৭টি, সুজনের বিরুদ্ধে ১৩টি, সবুজের বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতির চেষ্টা ও অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের ৫টি এবং ইমদাদুল হকের বিরুদ্ধে চুরি ও ডাকাতির ৫টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাদেক আলী কামারখন্দ থানার টিটিসিতে সংঘটিত ডাকাতি, নাটোর সুগার মিল, রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট কোল্ড স্টোরেজ এবং মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার একটি পলিথিন কারখানাসহ বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
কামারখন্দ থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং চক্রটির অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।