শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
কাজিপুরে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত
সিরাজগঞ্জে ধুকুরিয়াবেড়াকে রোল মডেল ইউনিয়ন গড়ার প্রতিশ্রুতি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নূর আলমের
উল্লাপাড়ায় স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকাসহ ১০ লাখ টাকার মালামাল চুরি
ভাঙ্গুড়া পৌরসভায় চলমান উন্নয়ন প্রকল্প সমূহের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত
সিরাজগঞ্জে উপজেলা পর্যায়ে স্টার্টআপ,বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী কর্মসূচির উদ্বোধন
সিরাজগঞ্জে মুসল্লিদের মোটরসাইকেল নিরাপত্তায় ফ্রী টোকেন গ্যারেজ করলেন হাজী মোঃ আব্দুস সাত্তার
প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে ভিক্টোরিয়া হাই স্কুলের দুর্দান্ত জয়
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ গ্রেফতার ৩৫
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ব্র্যাকের উদ্যোগে ১৫ প্রান্তিক সদস্যের মাঝে ৩০০ পিস হাঁসের বাচ্চা বিতরণ
বড়ালব্রিজ ও চাটমোহর রেলস্টেশনে ট্রেনের আসন ও যাত্রাবিরতি বৃদ্ধির দাবি এমপি রুমার

চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ৮ ফুট লম্বা বিষধর কিং কোবরা সাপ উদ্ধার

Download Photocard

সিরাজগঞ্জ সংবাদ প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাস থেকে প্রায় ৮ ফুট লম্বা পৃথিবীর অন্যতম বিষধর প্রজাতির একটি কিং কোবরা সাপ উদ্ধার করা হয়েছে।

 শুক্রবার (১০ এপ্রিল ২০২৬)রাত ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের পেছনের স্টাফ কলোনির একটি বাসা থেকে সাপটি উদ্ধার করা হয়। সাপটি উদ্ধার করেন সাপ ও সাপের দংশন বিষয়ে সচেতনতা বিষয়ক সংগঠন সোসাইটি ফর স্নেক অ্যান্ড স্নেকবাইট অ্যাওয়ারনেস (থ্রিএসএ)-এর সাপ উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং থ্রিএসএ সাপ উদ্ধার দলের উপদেষ্টা ড. ইব্রাহীম আল হায়দার এ তথ্য জানিয়েছেন। 

তিনি জানান, রাত সাড়ে ৭টার দিকে খবর পাওয়ার পর প্রায় ১০ মিনিটের মধ্যেই তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। 

বাসাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মচারীর। সাপটি ওই বাসার শৌচাগারের স্লাবের নিচে আশ্রয় নিয়েছিল। পরে স্লাব ভেঙে সেটিকে উদ্ধার করা হয়।

ড. ইব্রাহীম আল হায়দার বলেন, এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বিষধর সাপের অন্যতম একটি প্রজাতি। বর্তমানে সাপটি থ্রিএসএ দলের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে। এখনো সেটিকে প্রকৃতিতে অবমুক্ত করা হয়নি। প্রয়োজন হলে এটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের বিষ গবেষণা কেন্দ্রে পাঠানো হতে পারে। অন্যথায় ক্যাম্পাসের গহীন বনে অবমুক্ত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কিং কোবরার উপস্থিতি আগে থেকেই রয়েছে। তবে এই সাপ সাধারণত মানুষের কোলাহল এড়িয়ে চলে এবং লাজুক স্বভাবের।

সাম্প্রতিক সময়ে দুটি কারণে তারা পাহাড়ি এলাকা থেকে নিচে নেমে আসছে— পাহাড়ে আগুন লাগানো এবং অতিরিক্ত আগাছানাশক ব্যবহারের ফলে তাদের স্বাভাবিক আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

সাপের বিষ বিষয়ে গবেষক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী রফিক ইসলাম জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় থ্রিএসএ সংগঠনের সহায়তা নম্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঝর্ণা কলোনির বাসিন্দা ইমাম হোসেন ফোন করে বিষয়টি জানান। বাড়ির ভেতরে সাপটি অবস্থান করায় এলাকাবাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং সংগঠনের সহায়তা চান।

পরে সংগঠনের উপদেষ্টা ড. ইব্রাহীম আল হায়দারের নেতৃত্বে সাপ উদ্ধারকারী দলের সদস্য মোহাম্মদ ইসমাইল হোসাইন, নাফিস হাসান, মো. ইমরান ও মোহাম্মদ মুবারক মিয়াসহ স্থানীয়দের সহযোগিতায় সাপটি নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

উদ্ধারের পর উপস্থিত সবার মাঝে সাপ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং সাপ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির বার্তা দেওয়া হয়।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০