
ওয়াসিম সেখ, সিরাজগঞ্জ :
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সোনালি ইতিহাসে এক অনন্য নাম অ্যাডভোকেট রবিউল হাসান। দুঃসময়ের ত্যাগী সৈনিক হিসেবে রাজনীতির প্রতিটি ধাপে তিনি দেখিয়েছেন কিভাবে সত্যিকারের নেতৃত্ব জন্ম নেয় ত্যাগ ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দৃঢ় নেতৃত্ব এবং আগামীর রাষ্ট্রনায়ক দেশনায়ক তারেক রহমানের দিকনির্দেশনা হৃদয়ে ধারণ করে তিনি ছোটবেলা থেকেই রাজনীতিতে যুক্ত হন। তবে তার রাজনীতি ছিল ক্ষমতার নয়, বরং তৃণমূল কর্মী ও সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের রাজনীতি।
আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হাতে একাধিকবার নির্যাতিত হয়েছেন তিনি। হামলার হুমকি, মিথ্যা মামলা, সামাজিক বয়কট—কিছুই তার মনোবল ভাঙতে পারেনি। এক ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় তিনি হারান একটি পা। তবে শারীরিক ক্ষতি তাকে আরও অদম্য করেছে। তিনি প্রমাণ করেছেন—অঙ্গ হারানো যায়, কিন্তু আদর্শ হারানো যায় না।
অ্যাডভোকেট রবিউল হাসানের রাজনীতির চালিকাশক্তি ছিল মানুষের ভালোবাসা ও আস্থা। তিনি কখনো ক্ষমতার লোভে আপোষ করেননি, ব্যক্তিগত স্বার্থে আদর্শ বিসর্জন দেননি। তৃণমূল কর্মীদের কাছে তিনি শুধু একজন নেতা নন—একজন অভিভাবক, ভাই ও বন্ধু।
রাজনীতির অঙ্গনে তার জীবন কাহিনি প্রমাণ করে—ত্যাগ ছাড়া মহান নেতৃত্ব জন্ম নেয় না। অন্যায়ের সামনে মাথা নত করলে নেতা হওয়া যায় না।
জাতীয়তাবাদী আদর্শে উজ্জীবিত অ্যাডভোকেট রবিউল হাসানের ত্যাগ ও সংগ্রাম আজ কাজিপুরের তরুণ সমাজের অনুপ্রেরণা। শহীদ জিয়ার স্বপ্ন, বেগম খালেদা জিয়ার সংগ্রাম এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের দিকনির্দেশনায় রবিউল হাসানের মতো নির্ভীক সৈনিকদের ত্যাগে কাজিপুর জেগে উঠবে—এমন প্রত্যাশা করেছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
“সালাম অ্যাডভোকেট রবিউল হাসানকে—ত্যাগী, নির্ভীক, অবিচল সৈনিককে। তিনি আমাদের অনুপ্রেরণা, সাহস আর লড়াইয়ের প্রতীক।