
ছাম্মি আহমেদ আজমীর :
দেশপ্রেম ত্যাগ আর দায়িত্ববোধের এক উজ্জ্বল প্রতীক হিসেবে সম্মানিত হলেন সিরাজগঞ্জের কৃতি সন্তান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর(অব.) কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান। রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসারস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে ভ্যাটারান্স হিসেবে মনোনীত হয়ে তিনি গ্রহণ করেছেন সম্মাননা সনদ ও পদক যা তাঁর বর্ণাঢ্য সামরিক জীবনের এক গর্বিত স্বীকৃতি।
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী (অব.) সেনা কর্মকর্তা,সাবেক মন্ত্রী মেজর হাফিজ খান (বীর বিক্রম) এর হাত থেকে এই সম্মাননা গ্রহণের মুহূর্তটি ছিল অত্যন্ত আবেগঘন ও মর্যাদাপূর্ণ। এসময় সনদ ও পদক পান (অব.) লেফটেন্যান্ট কর্নেল খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান। উপস্থিত সবার করতালি ও ভালোবাসায় ভরে ওঠে পুরো আয়োজন যেনো এক নিঃশব্দ শ্রদ্ধা নিবেদন তাঁর দীর্ঘদিনের আত্মত্যাগ সাহসিকতা ও নিষ্ঠার প্রতি। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে দায়িত্ব পালনকালে দেশ ও মানুষের কল্যাণে তাঁর অবদান ছিল অনন্য ও স্মরণীয়। অবসরের পরও তিনি সমাজ ও দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন নানা সামাজিক ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে।
সম্মাননা গ্রহণের পর (অব.) লে. কর্নেল খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান তাঁর অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন,এই সম্মাননা আমার একার নয় এটি আমাদের সকল সহযোদ্ধা সকল অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যদের সম্মান। আমরা যারা দেশের জন্য জীবন-যৌবনের শ্রেষ্ঠ সময় উৎসর্গ করেছি তাঁদের ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই আমি এই সম্মাননা গ্রহণ করছি। দেশের প্রতি ভালোবাসা কখনো শেষ হয় না ইউনিফর্ম খুলে রাখলেও দায়িত্ববোধ হৃদয়ের ভেতরেই থাকে। আমি সবসময় চেষ্টা করেছি দেশ ও মানুষের পাশে থাকার ভবিষ্যতেও সেই প্রয়াস অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন,তরুণ প্রজন্মের প্রতি আমার আহ্বান দেশকে ভালোবাসুন নিজের দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করুন তবেই আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে।এই সম্মাননা শুধু একজন বীর সেনানীর অর্জন নয় বরং দেশের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ সকল সৈনিকের আত্মত্যাগের এক অনন্য স্বীকৃতি হয়ে থাকবে।
উল্লেখ্য: সিরাজগঞ্জের কৃতি সন্তান অবসরপ্রাপ্ত লে:কর্নেল খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে দায়িত্ব পালনকালে দেশ ও মানুষের কল্যাণে তার অবদান ছিল অন্যান্য স্মরণীয়। অবসরের পরেও তিনি সমাজ ও দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছে নানা সামাজিক ও কল্যাণমূলক কর্মকান্ডের। শিক্ষাজীবনে লেখাপড়ার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অঙ্গন থেকে শুরু করে একজন ভালো খেলোয়াড় ছিলেন।