পাবনা প্রতিনিধিঃ পাবনার চাটমোহর উপজেলার বিল-কুরুলিয়া একটি অগভীর নলকূপ জবর দখল,স্থানীয় ইউপি সদস্য ও ভূমিহীনদের মারপিট ও হুমকির ঘটনার পর বিলপাড়ের ধরইল মৎসজীবি পাড়ার ৪ শতাধিক পরিবার অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে।
অবরুদ্ধ মৎসজীবিরা রবিবার ২২ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১ টায় মৎসজীবি পাড়ার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা করেছে। সকালে শত শত নারী পুরুষ এই বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
এসময় বক্তব্য দেন, ভূমিহীন নেতা আনোয়ার হোসেন, মৎসজীবি নেতা রায়হান আলী, চঞ্চল হোসেন, সিমা খাতুন, ইয়াসমিন খাতুন প্রমুখ।
বক্তব্যে বক্তরা অভিযোগ করেন, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ধরইল গ্রামের রেজাউল ও মজি ও নূর ইসলাম গং বিল-কোরালিয়ায় স্থাপিত স্থানীয় ইউপি সদস্য ওম্বর আলীর একটি অগভীর নলকূপ জবর দখলের চেষ্টা করে। এ সময় বাধা দিলে ওম্বর আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম কে মারপিট আহত করা হয়। তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনার পর গত শনিবার ২১ ফেব্রুয়ারি ইউপি সদস্য ও ধরইল মৎসজীবি পাড়ার বাসিন্দা ওম্বর আলী তার আহত ছেলে কে চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখার জন্য যাচ্ছিলেন পথিমধ্যে স্থানীয় বাসস্ট্যান্ড এলাকায় রোজাউল মজি গং তাকে বেধড়ক মারধর করে আহত করে। আহতাবস্থায় তাকে চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়েছে।
এরপর থেকেই রেজাউল মজি নুর ইসলাম গং ধরইল মৎসজীবি পাড়ার ৪ শতাধিক পরিবার কে অবরুদ্ধ করে রেখেছে। মৎসজীবি পাড়ার বাসিন্দারা তাদের ভয়ে বের হতে পারছেন না।
মৎসজীবি পাড়ার বাসিন্দা সিমা খাতুন কান্না জরিত কন্ঠে বলেন ধানের শিষে ভোট দেওয়াই কি আমাদের অপরাধ। আমরা ও আমাদের ছেলেমেয়েরা কেও বাহিরে যেতে পারছি না। আমরা চরম নিরাপত্তা হীনতায় রয়েছি।আমরা এই সন্ত্রাসীদের বিচার চাই।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সাবেক ইউপি সদস্য নুর ইসলাম ও রফিকুল ইসলাম জানান, এ সকল বিষয়ের সাথে তার জরিত নাই। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সত্য নয়।
এ ব্যাপারে চাটমোহর থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত নয়ন কুমার সরকার জানান, উভয় পক্ষের অভিযোগ পাওয়া গেছে এলাকায় পুলিশের টহল বাড়ানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






