
ছাম্মি আহামেদ আজমীর :
সিরাজগঞ্জ পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মো:তাজ উদ্দিন শেখ এবার এক নতুন পরিচয়ে আবির্ভূত হলেন। দীর্ঘদিন মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখার পর এবার তিনি হৃদয়ের গভীর অনুভূতিকে তুলে ধরলেন সংগীতের মাধ্যমে। সকলের দোয়া ও ভালোবাসায় তার জীবনের প্রথম গানটি প্রকাশিত হয়েছে যা ইতোমধ্যেই মানুষের হৃদয়ে নাড়া দিতে শুরু করেছে।
এই গানটি শুধুমাত্র একটি গান নয় এটি এক গভীর আবেগ,এক নিঃশব্দ কান্না, এক অনন্ত ভালোবাসার গল্প।পৃথিবীর সকল দুঃখিনী অবহেলিত ও নির্যাতিত মায়েদের স্মরণ করে লেখা এই গানটি যেন প্রতিটি সন্তানের হৃদয়ে মায়ের প্রতি ভালোবাসা আরও গভীর করে তোলে। গানটির প্রতিটি শব্দে ফুটে উঠেছে মায়ের ত্যাগ কষ্ট আর নিঃস্বার্থ মমতার চিত্র।
গানটি নিয়ে মো: তাজ উদ্দিন শেখ আবেগঘন কণ্ঠে বলেন,
মা হলো পৃথিবীর সবচেয়ে আপন সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়। অথচ এই পৃথিবীতেই অসংখ্য মা আছেন যারা অবহেলা কষ্ট আর নিঃসঙ্গতার মধ্যে দিন কাটান। তাদের অশ্রু তাদের না বলা কষ্ট আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। সেই অনুভূতি থেকেই এই গানটি সৃষ্টি। আমি আমার এই ছোট্ট প্রচেষ্টা সারা বিশ্বের সকল দুঃখিনী মায়েদের প্রতি উৎসর্গ করলাম। যদি আমার গান তাদের কষ্টের কথা মানুষকে একটুও অনুভব করাতে পারে তবেই আমার শ্রম সার্থক হবে।
গানটির সুর ও কথায় এমন এক মমত্ববোধ ফুটে উঠেছে যা সহজেই শ্রোতাদের আবেগপ্রবণ করে তুলছে। ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গানটি ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে এবং অনেকেই এটিকে মায়ের প্রতি এক অনন্য শ্রদ্ধাঞ্জলি হিসেবে আখ্যায়িত করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মো: ইদ্রিস আলী সরকার মো: রায়হান শেখ বলেন,তাজ উদ্দিন শেখের এই নতুন পথচলা তার জীবনের আরেকটি উজ্জ্বল অধ্যায়ের শুভ সূচনা শুরু হলো। তিনি একজন বিশিষ্ট সমাজ সেসক,রাজনৈতিকবিদ,সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব,কবি,সুরকার ও গীতিকার। সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তিনি সিরাজগঞ্জ বাউল শিল্পী গোষ্ঠীর উপদেষ্টা। আমরা চাই ভবিষ্যতেও তিনি এমন হৃদয়স্পর্শী গান উপহার দেবেন এমন প্রত্যাশা সবার। মায়ের ভালোবাসা,ত্যাগ আর অশ্রুর গল্প নিয়ে তৈরি এই গান যেন ছড়িয়ে পড়ে প্রতিটি হৃদয়ে এই কামনাই সবার।