
মোঃ হোসেন আলী (ছোট্ট) ; সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় জামায়াত সমর্থিত নেতাকর্মীদের উপর হামলা, লুটপাট, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে সিরাজগঞ্জ (সদর-কামারখন্দ)-২ আসনের ১১ দলীয় জোটের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬) দুপুর ১২টার দিকে পৌর শহরে জেলা জামাতের দলীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় জোট নির্বাচন সমন্বয় কমিটির আয়োজনে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে নির্বাচনের পর জামায়াত সমর্থিত নেতাকর্মীদের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর ও হামলার শিকার এবং প্রশাসনকে অভিযোগ করা সত্ত্বেও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় সে বিষয়গুলোর উপর দিকনির্দেশনা মূলক বক্তব্য রাখেন সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও সিরাজগঞ্জ-২ আসনের জামায়াত মনোনীত দাঁড়ি পাল্লা প্রার্থী মোঃ জাহিদুল ইসলাম।
এ সময় জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের এজেন্টরা ভোটের শুরু থেকেই কেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করেই বিভিন্ন অজুহাতে তাদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়। এতে ভোটের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
অনেক কেন্দ্রে প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের বিজয়ী প্রার্থীর এজেন্টদের এক টেবিলে খাওয়া দাওয়া করার অভিযোগ তুলে জাহিদুল ইসলাম বলেন, ভোটগ্রহণ চলাকালে কেন্দ্রের প্রিজাইডিং দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা এক টেবিলে বসে খাওয়া-দাওয়া করেছে।
বিভিন্ন কেন্দ্রে থেকে এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ করে জামায়াত প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম বলেন, ভোটগ্রহণ চলাকালে কেন্দ্র থেকে আমাদের এজেন্টদের বের দিয়েছে একটি দলের নেতাকর্মীরা। তিনি দাবি করেন, একাধিক কেন্দ্রে তাঁর মনোনীত পোলিং এজেন্টদের দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আচরণ হতে হবে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ। কিন্তু আমরা দেখেছি, কয়েকজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি একসঙ্গে বসে খাওয়া-দাওয়া করেছেন, যা ভোটারদের মাঝে সন্দেহ তৈরি করেছে।
এসময় সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামী সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, পৌর জামায়াতের আমির মোঃ আব্দুল লতিফসহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিকস,প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত।ছিলেন