
মোঃ হোসেন আলী (ছোট্ট) :
জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের প্রেক্ষাপট এক দিনে তৈরি হয়নি। সারা বাংলাদেশের ছাত্রদলের অকুতোভয় সৈনিকদের কারণেই জুলাই-আগস্টের আন্দোলন হয়েছে। তেমনি সিরাজগঞ্জে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্র দল ইসলামিয়া সরকারি কলেজ শাখা স্বতঃস্ফূর্তভাবে জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে। হাজার হাজার লাখ লাখ নেতা-কর্মীর ত্যাগের বিনিময়ে জুলাই-আগস্টের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে। সেই প্রক্ষাপটের ওপর সাধারণ শিক্ষার্থীরা ছাত্রসমাজের নেতৃত্বে, ছাত্র-জনতার নেতৃত্বে ছাত্রদল অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। ২০২৪ বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি ঘটনাবহুল বছর। এই বছরটি ইতিহাসে জুলাই গণঅভ্যুত্থান এবং স্বৈরাচারের পতনের বছর হিসেবে স্থান করে নিয়েছে। ১৫ বছরের স্বৈরাচার হটানোর এটি ছিল চূড়ান্ত পর্ব। জুলাইয়ে শুরু হওয়া কোটা বিরোধী আন্দোলন ধাপে ধাপে আগস্টে গিয়ে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার উৎখাতের একদফার আন্দোলনে পরিণত হয়। জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি শুধু ইতিহাস নয়, তা হয়ে উঠেছে বাংলাদেশের জাতীয় চেতনার অবিচ্ছেদ্য অংশ। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ততদিন উচ্চারিত হবে জুলাই আন্দোলনের শহীদ, আহত ও সংগ্রামীদের নাম। তেমনি রাজ পথে সব সময় ছিলো একজন সৎ ও নির্ভিক সাহসী মেধাবী ছাত্র নেতা কারা নির্যাতিত কারা বন্দী নেতা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে রাজপথের প্রতিটি সভা-মিছিলের অগ্রভাগে ছিলেন ইসলামী সরকারি কলেজ ছাত্রদল সাবেক সভাপতি
১১ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের অন্যতম সদস্য ও জাহান আরা উচ্চ বিদ্যালয় স্কুল কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাব্বির হোসেন প্রতীক। তিনি মৃত্যুভয় উপেক্ষা করে দেশ থেকে ফ্যাসিস্ট হাসিনার শাসন চিরতরে মুছে দিতে জীবনবাজি রেখে রাত-দিন রাজপথে ছিলেন সংগ্রামী ছাত্র নেতা সাব্বির হোসেন প্রতীক। বিগত স্বৈরাচার ও ফ্যাসিস্ট হাসিনা বিরোধী গণ আন্দোলনে ৪ঠা আগস্ট এই দিনে
সিরাজগঞ্জ ফ্যাসিবাদ মুক্তদিবস। এবং ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমাবেশে পুলিশের হামলায় ঢাকার বিভিন্ন পয়েন্টে বিপুলসংখ্যক ছাত্র–জনতার মৃত্যু এবং কয়েক হাজার আহত হয়। এদিন ৫ আগস্ট ‘মার্চ টু ঢাকা’ নামে অবরোধের ঘোষণা করা হয়। ৫ আগস্ট লাখ লাখ মানুষ পুরো ঢাকার রাজপথে নেমে আসে। গণভবন অভিমুখে মিছিলে মিছিলে সব রাজপথ একাকার হয়ে যায়। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে এবং দেশ ত্যাগ করে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা প্রাণভয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়।