
সিরাজগঞ্জ সংবাদ প্রতিবেদক:
সাংবাদিকতা শুধু একটি পেশা নয়, এটি সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর এক সাহসী অঙ্গীকার। আর সেই অঙ্গীকারকে ধারণ করে দীর্ঘদিন ধরে সিরাজগঞ্জের সাংবাদিক সমাজে নির্ভীক, সৎ ও আপসহীন নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন সাংবাদিক নেতা শরীফুল ইসলাম ইন্না। জেলার গণমাধ্যমকর্মীদের অধিকার আদায়, সাংবাদিক সমাজের ঐক্য রক্ষা এবং পেশাগত মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান আজ সর্বমহলে প্রশংসিত।
সু-দীর্ঘ বেশি সময় ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে জড়িত শরীফুল ইসলাম ইন্না সততা, দক্ষতা ও মানবিক নেতৃত্বগুণ দিয়ে নিজেকে একজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনি শুধু একজন সাংবাদিক নন, বরং সাংবাদিক সমাজের একজন অভিভাবক, একজন পরামর্শদাতা এবং বিপদে-আপদে নির্ভরতার প্রতীক। তাঁর নেতৃত্বে সিরাজগঞ্জের সাংবাদিক সমাজ পেয়েছে ঐক্য, সাহস ও সংগঠিত শক্তির নতুন দিগন্ত।
সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের ইতিহাসে তিনি একজন পরীক্ষিত সংগঠক হিসেবে সুপরিচিত। ঐতিহ্যবাহী এই সংগঠনে তাঁর সাংগঠনিক মেধা, বিচক্ষণতা ও দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণেই সাংবাদিক সমাজে তিনি আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন। সাংবাদিকদের প্রত্যক্ষ ভোটে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়া তাঁর জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতারই বহিঃপ্রকাশ।
সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের যুগ্ন- সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ দেওয়ান রাজু জানান, শরীফুল ইসলাম ইন্নার সবচেয়ে বড় গুণ হলো—তিনি সবসময় গণমাধ্যমকর্মীদের পাশে দাঁড়ান। কোনো সাংবাদিক অসুস্থ হলে, বিপদে পড়লে কিংবা অন্যায়ের শিকার হলে সবার আগে ছুটে যান তিনি। নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে বহু সাংবাদিক পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন নীরবে। মানবিক এই গুণের কারণেই তরুণ সাংবাদিক থেকে প্রবীণ সংবাদকর্মী—সবাই তাঁকে সম্মান ও ভালোবাসার চোখে দেখেন।
একজন দক্ষ প্রশিক্ষক ও অভিভাবকের মতো তিনি নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের সবসময় সঠিক পথ দেখিয়েছেন। পেশাদার সাংবাদিকতা, নৈতিকতা ও সত্যনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের বিষয়ে তিনি বরাবরই ছিলেন কঠোর ও আপসহীন।
শুধু সাংবাদিক সমাজ নয়, জেলার সুশীল সমাজ, রাজনৈতিক অঙ্গন ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের কাছেও তিনি একজন সম্মানিত ব্যক্তি। সমাজের নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর সাহসী অবস্থান সবসময়ই ছিল স্পষ্ট। সত্য প্রকাশে তিনি কখনো ভয় পাননি, কোনো চাপের কাছেও মাথা নত করেননি।
সাংবাদিক ইউসুফ দেওয়ান রাজু আরও বলেন, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু ফেক আইডি থেকে সাহসী সাংবাদিক শরীফুল ইসলাম ইন্নাসহ বিভিন্ন স্বনামধন্য ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এসব অপচেষ্টাকে ঘৃণ্য ও নিন্দনীয় বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। তিনি মনে করেন, সমাজে সম্মানিত ব্যক্তিদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে। এ ঘটনায় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এই গণমাধ্যমকর্মী। একই সঙ্গে ফেক আইডি শনাক্ত করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী শরীফুল ইসলাম ইন্না সবসময় অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠনের পক্ষে সোচ্চার থেকেছেন। তিনি কখনো সুবিধাবাদী রাজনীতির সঙ্গে আপস করেননি। সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থেকেছেন এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে কখনো পিছপা হননি। তাঁর দৃঢ়তা, সততা ও সাহসী নেতৃত্বের কারণেই আজ তিনি সিরাজগঞ্জের সাংবাদিক সমাজে আস্থা ও বিশ্বাসের আরেক নাম।
জেলার গণমাধ্যমকর্মীরা মনে করেন, শরীফুল ইসলাম ইন্নার মতো নেতৃত্ব সাংবাদিক সমাজের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন। কারণ তিনি ব্যক্তিস্বার্থ নয়, সবসময় সাংবাদিকদের সম্মিলিত স্বার্থ ও মর্যাদা রক্ষায় কাজ করেন। তাঁর নেতৃত্বে সাংবাদিক সমাজ আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অনেকে।
সত্য, সাহস ও ন্যায়বোধকে ধারণ করে সাংবাদিকতার যে আদর্শ তিনি লালন করে চলেছেন, তা আগামী প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।