
আলী আশরাফ,সিরাজগঞ্জ :
‘রান সিরাগঞ্জ ৭.৫ কে ম্যারাথন’ শেষে সিরজাগঞ্জ হার্ডপয়েন্ট এলাকায় বৃক্ষরোপন করে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো: আমিনুল ইসলাম। বৃক্ষরোপন শেষে হাজী আব্দুস সাত্তার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, সকলের প্রিয় ব্যক্তি হাজী আব্দুস সাত্তার এর সামাজিক কর্মকান্ডের প্রশংসা করে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো: আমিনুল ইসলাম বলেন, সাত্তার সাহেব সিরাজগঞ্জে আরও গাছ লাগাতে হবে। পৌর শহরের আয়ারল্যান্ডের উপর দিয়ে ফক্সপাম গাছ রোপন সহ বিভিন্ন জায়গা বৃক্ষরোপনের কথা উল্লেখ্য করেন। সিরাজগঞ্জ কে সবুজায়ন শিয়ালকোল এলাকার ফোনলেনের বৃক্ষরোপন করার জন্য হাজী আব্দুস সাত্তারকে নির্দেশ প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, আজকের এই ছোট উদ্যোগই আগামী দিনের বড় বিপ্লব। একটি পরিষ্কার শহর, একটি সচেতন সমাজ, একটি সুন্দর দেশ—এই লক্ষ্যেই এগিয়ে চলা।

আপনি-আমি বদলালে, বদলে যাবে দেশ” চলুন, আমরা সবাই মিলে পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার এই অভিযানে শরিক হই।
এই অভিযানে শরিক হিসেবে গত ২৭ ও ২৯ এপ্রিল ২০২৬ সিরাজগঞ্জ পৌরসভাকে সৌন্দর্যবর্ধন ও সবুজায়নে করতে চান্দালী মোড় থেকে বাজার স্টেশন পর্যন্ত ১’শ ফক্সপাম গাছ রোপন করার পর দ্বিতীয় দফায় শহরের মুজিব সড়ক ও মুক্তির সোপানের চারিদিকে ১’শ ফক্সটেইল পাম গাছ, বাজার স্টেশনে ৪টি টেরি গাছ ও পৌর মালশাপাড়া কবরস্থানে ফুল গাছ রোপন করলেন সিরাজগঞ্জের সকলের প্রিয় ব্যক্তি, আব্দুস সাত্তার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা, সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক হাজী আব্দুস সাত্তার।
আব্দুস সাত্তার ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সিরাজগঞ্জ শহরকে সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য সারা শহরেই পাম্প গাছ রোপণ করা হবে। পর্যায়ক্রমে সারা শহরেই ৫ ফক্সটেইল পাম গাছ রোপণ করা হবে। এবিষয়ে সাত্তার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা, সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক হাজী মোঃ আব্দুস সাত্তার বলেন, পরিবেশ রক্ষায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সিরাজগঞ্জের কৃতি সন্তান বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ভাই এর নির্দেশে সিরাজগঞ্জ শহরকে সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য গাছ রোপণ করা হচ্ছে। আমি পৌর মালশাপাড়া কবরস্থানে বিগত কয়েক মাস পূর্বে ৪’শ সুপারি গাছ রোপন করেছিলাম। আজ সুপারি গাছগুলো ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে। পৌরসভার সকল কবরস্থানে সুপারি গাছ লাগানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সারাদেশের মানুষকেই পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশ রক্ষায় গাছের চারা রোপণের নির্দেশ দিয়েছেন। সেই জন্যই সাত্তার ফাউন্ডেশন পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশ রক্ষায় গাছের চারা রোপণ কাজ শুরু করেছে। আমাদের এই কার্যক্রম চলমান থাকবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের সকল কাজ হবে আল্লাহকে খুশি করার জন্য। আল্লাহ মানুষকে সৃস্টি করেছেন মানবতার কল্যাণে কাজ করার জন্য আসুন আমরা সবাই মানবতার কল্যাণে কাজ করি। আমাদের সকলের উচিৎ এই শহরকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা পাশাপাশি বাড়ীর আশেপাশে গাছের চারা রোপণ করা।
উল্লেখ্য, সাধারণ মানুষের মন জয় করে নিয়েছেন একের পর এক সেবামূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে। ইতিপূর্বে তিনি সিরাজগঞ্জ শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে নিজের অর্থয়নে লোকজন নিয়ে ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেন। জনকল্যানমূলক কাজ করতে তিনি স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন। তার বক্তব্য “পরিচ্ছন্ন ঈমানের অঙ্গ “ আর তাই তিনি পরিচ্ছন্নতা মূলক কর্মকান্ডে নিজেকে নিযুক্ত রাখেন।
তিনি দুঃস্থ অসহায় নারীদের স্বাবলম্বী করতে নিজ খরচে তাদের প্রশিক্ষণ দেয়ার পাশাপাশি তাদেরকে একটি করে সেলাই মেশিন প্রদান করেন। যাতে করে তারা নিজেরাই সেলাইয়ের কাজ করে স্বাবলম্বী হতে পারেন। শুধু তাই নয় বিপদে আপদে অসহায় মানুষের পার্শ্বে দাঁড়িয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।
তার সমাজ সেবামূলক কর্মকান্ড দেখে সাধারণ মানুষের মধ্যে তার প্রতি আগ্রহের পাশাপাশি আস্থাও বেড়েছে দ্বিগুণ।
সাধারণ মানুষের বক্তব্য, ইতিপূর্বে কোন রাজনৈতিক দলের নেতা যা করেননি। হাজী মো: আব্দুস সাত্তার তা করে দেখিয়েছেন।” ইচ্ছে থাকলে উপায় হয় “একথাটি মিথ্যে নয়, তা প্রমাণ করে দেখিয়ে দিচ্ছেন হাজী আ: সাত্তার। আল্লাহ প্রতি অগাধ বিশ্বাস ও মানুষের ভালোবাসাই তার একমাত্র অনুপ্রেরণা বলে জানান তিনি।