মোঃ হারুন অর রশিদ খান হাসান : যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মিডিয়া সেলের আহবায়ক, সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি। সভাপতি সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাব।
আমরা সম্পর্কে মামা ভাগ্নে। মুনশী কামাল উদ্দীন মামা যখন সিরাজগঞ্জ জেলা যুবদলের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক আমিও তখন জেলা যুবদলের নির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক।
নির্বাচিত সভাপতি ছিলেন এরশাদ বিরোধী গণআন্দোলনে যুবদলের কিংবদন্তি নেতা মোঃ এরশাদুর রহমান নীরু ভাই, যিনি বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সেনেগাল সরকারি সফরের সঙ্গী ছিলেন।
আজকে বুধবার দুপুরে জেলা আইনজীবী ভবনের নীচতলায় কামাল মামার সাথে দেখা হলো পুরোনো দিনের রাজনীতির অনেক কথাই হলো
তিনিই স্মরণ করে বললেন,২০১৫ সনের ২৭ জানুয়ারি তারিখে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুতে তুমি আমি রানা সুইট সহ হাতেগোনা কিছু নেতাকর্মী দলীয় অফিসে কোরআনখানীতে অংশ নেই। পুলিশ দলের অফিসের সামনে মারমুখী অবস্থানে। যাকে যেখানে পাচ্ছে গ্রেফতার করছে। আমরা পিছিন দিক দিয়ে বের হয়ে এ বাড়ি ঐ বাড়ীর দেওয়াল টপকিয়ে ইসলামিয়া সরকারি কলেজ মসজিদে যেয়ে অবস্থান নেই।
বাদ যহর সেখানে মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।পুলিশী মহড়ার কারণে মসজিদে মুসল্লীরের সংখ্যা অন্যান্য দিনের চেয়ে অনেক কম ছিলো। পরিকল্পনা ছিলো,জানাজা নামাজের আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনা আমি পরিচালনা করবো আর কামাল মামা বক্তব্য রাখবেন।
যহরের নামাজ শেষে জানাজা নামাজের প্রস্ততির সময় বিপলু সংখ্যক পুলিশ মাঠে ঢুকে শুধুই মুনসি কামাল মামাকে ধরে ফেলে,সাহসী কামাল মামা পুলিশের থাবা থেকে ছুটতে আপ্রাণ চেষ্টা করছেন,আমার কাঁধে ল্যাপটপ ও হাতে ক্যামেরা,আমি ছবি তুলছি আর ভিডিও করছি। পুলিশ তাদের টার্গেট কামাল মামাকে তুলে নিয়ে যায়।
এরপর কিছু সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের নিয়ে মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়,আমি তসর বিদেহী আত্নার মাগফিরাত কামনা করে বক্তব্য রাখি।
তৎসময়ের জেলা বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুন্সি কামাল উদ্দিন ইসলামিয়া সরকারি কলেজ মসজিদের মাঠে মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর গায়েবানা জানাজা থেকে গ্রেফতার হয়ে ১ মাস ২৬ দিন কারান্তোরীণ ছিলেন। আমি তখন জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্ব সহ প্রচার সম্পাদক।
বিপ্লবী তরুণ কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতা পক্তি দিয়ে মামা ভাগ্নের রাজনীতির একদিনের ইতিকথা শেষ করছি। ‘সাবাস বাংলাদেশ, এ পৃথিবী তাকিয়ে রয়: জ্বলে পুড়ে ছারখার তবু মাথা নোয়াবার নয়’।






