মোঃ হোসেন আলী (ছোট্ট) : তৃণমূল ও গণ মানুষের আস্থার আশ্রয়স্থল জননেতা ভিপি অমর কৃষ্ণ দাস।
একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, মানবতার ফেরিওয়ালা ও গণমানুষের আস্থার শেষ ঠিকানা হয়ে ওঠার ইতিহাস অনেকটাই দীর্ঘ। সিরাজগঞ্জের রাজপথ থেকে শুরু করে সমস্ত স্তরের ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় মানবতার ফেরিওয়ালা একজন শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এঁর
আদর্শের লড়াকু সৈনিক গণমানুষের নেতা ভিপি অমর কৃষ্ণ দাস, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে শুরু করে দুঃসময়ে দলের পাশে থেকে রাজপথে নিজেকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে বেগম খালেদা জিয়ার আদেশ ও নির্দেশে সংগ্রামী এক সাহসী কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা অমর কৃষ্ণ দাস সিরাজগঞ্জের মানুষের কাছে একজন মানবিক ও দরদী জননেতা হয়ে উঠেছেন। তৃণমূল থেকে শুরু করে এখন সবার মুখেই একটিই নাম ভিপি অমর কৃষ্ণ দাস, নেতৃত্বের যোগ্য এবং আগামী সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ সদর ও কামারখন্দ ২ আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীর্ষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছেন তিনি । এবং সিরাজগঞ্জ জেলা উত্তরবঙ্গের শিংহ পুরুষ স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য জননেতা ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু মহোদয় এঁর পক্ষ থেকে নতুন তরুন প্রজন্মের কাছে তার চাওয়া তরুনদের প্রথম ভোট ধানের শীর্ষ মার্কায় হক।
ভিপি অমর কৃষ্ণ দাস দলীয় ভাবমূর্তির বাইরেও তিনি নিজস্ব ভাবে মানুষের ভালোবাসা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি তার বলিষ্ঠ প্রচেষ্টায় সকল স্তরের অভিমানী ও সকল সক্রিয় দলীয় নেতা কর্মীদের এক কাতারে এনে একটি শক্তিশালী জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি বিএনপি গঠনে ভূমিকা পালন করে আসচ্ছেন। ছাত্র জীবনে ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে তার পথ চলা শুরু হয়।দল থেকে কখন কি খরচ পাবেন এই চিন্তা না করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিকে ভালোবেসে নিজের পকেটের টাকা খরচ করে রাজনীতি করেছেন। এর পাশাপাশি ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় সকলের পাশেই থেকেছেন সক্রিয়ভাবে। ছাত্র রাজনীতিতে তিনি সিরাজগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের ভোটে ভিপি নির্বাচিত হয়েছেন। জননেতা ভিপি অমর কৃষ্ণ দাস বলেন আমি দীর্ঘ অনেকদিন রাজনীতিতে সততা ও আদর্শ ও দলের প্রতিটি কাজে নিজেকে বারবার পরীক্ষা দিয়ে চলেছি। আমি রাজনীতিতে অনেকবার জেল খেটেছি।






