ছাম্মি আহমেদ আজমীর :
সিরাজগঞ্জ জেলায় টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর ২০২৫খ্রি:) বিকেল ৩ ঘটিকায় সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন অফিসের সম্মেলন কক্ষে এ সচেতনতামূলক সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, টাইফয়েড একটি প্রাণঘাতী ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ। শিশু ও বয়স্ক উভয়েই এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। এর প্রধান কারণ দূষিত পানি,অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ ও অনিরাপদ স্যানিটেশন ব্যবস্থা।বক্তারা আরও উল্লেখ করেন,এ রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত হাত ধোয়া,নিরাপদ খাবার গ্রহণ এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা অপরিহার্য। এর পাশাপাশি টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন গ্রহণ করলে এ রোগের ঝুঁকি অনেকাংশে হ্রাস করা সম্ভব।ইউনিসেফের সহযোগিতায় শিগগিরই জেলার বিভিন্ন স্থানে টাইফয়েড ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হবে। ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে ভ্যাকসিন গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সচেতনতা বাড়ানো হবে।
এসময় সিভিল সার্জন ডা: মো: নুরুল আমীন বলেন, “টাইফয়েড প্রতিরোধে ভ্যাকসিন একটি বড় সাফল্য। তবে এর পাশাপাশি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা,বিশুদ্ধ পানি পান করা এবং স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। সচেতনতার মাধ্যমেই আমরা এই রোগ থেকে নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে পারব।”
এসময় উপস্থিত ছিলেন,ডেপুটি সিভিল সার্জন রিয়াজুল ইসলাম,সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবে সভাপতি হারুন অর রশিদ খান হাসান,মেডিক্যাল অফিসার ডা: সাইদ আল দ্বীন এম ও ডা: রেজাউর রহমান মিন্টু (Who)।
উল্লেখ্য :সভায় অংশগ্রহণকারীরা টাইফয়েড প্রতিরোধে যৌথভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে জেলার মানুষের মধ্যে এ রোগের সংক্রমণ অনেকাংশে কমে যাবে। মোট স্থায়ী ১৫ টি টিকাদান কেন্দ্র :১৫ টি। মোট অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র : ২১১২ টি। মোট স্কুল : ৩৪২৯ (প্রাইমারী স্কুল -১৬৭১,হাই স্কুল এবং মাদ্রাসা ৮০৫, অন্যান্য-৯৫৩)।






