রেজাউল করিম খান,সিরাজগঞ্জঃ
২৪ জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহিদ মীর মাহফুজুর রহমান (মুগ্ধ) এর জমজ ভাই মীর মাহবুবুর রহমান (স্নিগ্ধ) সিরাজগঞ্জে যাত্রা বিরতীকালে এক মতবিনিময় সভায় তিনি তার বক্তব্য বলেন, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা চিরতরে বিলুপ্ত হবে। ফ্যাসিস্ট হাসিনা একজন খুনি, তিনি আমার ভাই মীর মুগ্ধসহ প্রায় দুই হাজার মানুষকে হত্যা করেছে। ২০’হাজারেন অধিক মানুষকে আহত ও পঙ্গু করেছেন। খুনি হাসিনার বিচার এ দেশের মাটিতেই হতে হবে। হাসিনার গুম-খুন ও জুলুমের সবচেয়ে বেশি শিকার হয়েছে বিএনপি নেতা-কর্মীরা,বিএনপি ক্ষমতায় গেলে খুনি হাসিনার প্রতিটি গুম,খুন হত্যার বিচার হবে।
সোমবার সন্ধ্যায়, মীর মাহবুবুর রহমান (স্নিগ্ধ) বগুড়া ও নাটোর সফর শেষে ঢাকায় যাওয়ার পথে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কালিয়াহরিপুর ইউনিয়নের বনবাড়ীয়া কাদাইয়ে অবস্থিত ছোঁয়ামনী গার্ডেন প্যালেস রিসোর্ট ও পার্কে যাত্রা বিরতির সময় কনফারেন্স কক্ষে জেলা বিএনপির আয়োজনে-এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন
সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন, সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু। শহীদ মুগ্ধর ভাই সম্প্রতি মীর মাহবুবুর রহমান (স্নিগ্ধ) বিএনপিতেআনুষ্ঠানিক যোগদানের পর এই প্রথম,সিরাজগঞ্জে বিএনপি’ অঙ্গসংগঠন, স্কাউট সদস্য, ছাত্র প্রতিনিধি সহ অন্যান্যদের সাথে মতবিনিময় সভা এবং সকল শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
অপরদিকে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান জেলা বিএনপি ও সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এ মতবিনিময় সভায়-মীর মাহবুবুর রহমান (স্নিগ্ধ) তিনি আরও বলেন, শৈশব থেকেই বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার আপষহীনতা নীতি দেখে মুগ্ধ হয়েছি। তাঁর আদর্শে উজ্জীবিত হয়েই বিএনপির সঙ্গে রাজনীতি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। শহিদ মুগ্ধকে হত্যার পর খুনি হাসিনা ব্ল্যাংক চেকের অফার করেছিলেন। ঘৃণাভরে তা প্রত্যাখ্যান করেছি। খুনির সঙ্গে আপস করিনি। এসময়ে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন,সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ভূঁইয়া, আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল কাদের সেখ, আনিসুজ্জামান পাপ্পু, যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক মুন্সি জাহেদ আলম, দপ্তর সম্পাদক তানভীর মাহমুদ পলাশ, সহ দপ্তর সম্পাদক সাংবাদিক শেখ এনামুল হক, সহ প্রচার সম্পাদক রেজাউল করিম খান, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সহ সম্পাদক এম. দুলাল উদ্দীন, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন রাজেশ, পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন সম্পাদক রেজাউল জোয়ার্দার সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম কারেন্ট, জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল আমিন খান, সাধারণ সম্পাদক মুরাদুজ্জামান মুরাদ, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সেরাজুল ইসলাম সেরাজ, জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক এম.এ ওয়াহাব, জেলা মহিলা দলের সভাপতি সাবিনা ইয়াসমিন হাসি, সিনিয়র সহ-সভাপতি মেরী, সাধারণ সম্পাদক এলেমা বেগম,সাংগঠনিক সম্পাদক জোৎস্না মন্ডল সহ অন্যান্য নারীনেত্রী এবং বিএনপি বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।






