শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
পঞ্চগড় সদরে মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত-১,গুরুতর আহত ২
সংবাদ প্রকাশের জেরে হুমকি,নিরাপত্তা চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা সাংবাদিক শরীফুল ইসলাম ইন্নার
সিরাজগঞ্জে হোসেনপুর রানার্স ক্লাবের আয়োজনে জমজমাট আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল প্রীতি ফুটবল ম্যাচ
মৃত্যুর ৫১ বছর পরও অবিস্মরণীয় সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ
সিরাজগঞ্জের রায়পুরে রেল জংশন প্রতিষ্ঠার দাবিতে মানববন্ধন
হাতিরঝিলে পরিচ্ছন্নতা অভিযান: গ্রীন ও ক্লিন ঢাকার বার্তা দিল রাজউক জাতীয়তাবাদী শ্রমিক-কর্মচারী দল
কাজিপুরে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত
সিরাজগঞ্জে ধুকুরিয়াবেড়াকে রোল মডেল ইউনিয়ন গড়ার প্রতিশ্রুতি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নূর আলমের
উল্লাপাড়ায় স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকাসহ ১০ লাখ টাকার মালামাল চুরি
ভাঙ্গুড়া পৌরসভায় চলমান উন্নয়ন প্রকল্প সমূহের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

রেলসেতু উদ্বোধন জানুয়ারিতে, সাশ্রয় ৫০ কোটি টাকা

Download Photocard

ওয়াসিম শেখ, সিরাজগঞ্জ :

যমুনার নদীর বুকে দৃশ্যমান হয়েছে বৃহত্তর বঙ্গবন্ধু রেলসেতু। ইতিমধ্যে নির্ধারিতসময়ের আগেই নির্মাণ কাজ শেষ। সাশ্রয় হ‌য়ে‌ছে ৫০ কোটি টাকা।
দেশের দীর্ঘতম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতুর কাজের স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও চুলচেরা ব্যয় বিশ্লেষণে ৫০ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে।

আগামী জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি পর্যায়ে সেতুটি চালু করা হবে। তবে এটি চালু হলেও ট্রেনের পূর্ণগতি ফিরতে সময় লাগবে আরও দু’মাস।

রোববার (২৪ নভেম্বর) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু প্রকল্পের পরিচালক আল ফাত্তাহ মাসউদুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সেতুটির কাজ শেষ হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে এটির উদ্বোধন করা হবে জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে। উদ্বোধনের নানান প্রক্রিয়াও চলছে। সেতুটি নির্মাণে প্রাক্কলিত ব্যয়ের থেকে ৫০ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক আরও জানান, সেতুটির সবচেয়ে বড় সুবিধা হবে সময় সাশ্রয়। যমুনা নদীতে বর্তমান বহুমুখী যমুনা সেতুটি বিপজ্জনক হওয়ায় একটি ট্রেন পার হতে প্রায় ৩০ মিনিট সময় নেয়। আমরা যদি এই সেতুর ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চালাই, তাহলে মাত্র ৫ মিনিটে যমুনা পার হওয়া যাবে। এতে প্রতিদিন ৩৮টি ট্রেন চলবে।

সেতুর অগ্রগতি সম্পর্কে বঙ্গবন্ধু রেলওয়ে সেতু নির্মাণ প্রকল্প ডব্লিউডি-১ এর মেরিন ইঞ্জিনিয়ার মাহবুব আলম বলেন, সেতুটির কাজ এরইমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। তবে ভারত থেকে প্রযুক্তিপণ্য আমদানিতে একটু জটিলতার কারণে সেতুর দুই পাশের স্টেশনে শুরু থেকে কম্পিউটার ভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় সংকেত ব্যবস্থা বা কম্পিউটার বেইজড ইন্টারলিঙ্ক সিস্টেম (সিবিআইএস) চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে জানুয়ারিতে সেতুটি চালু হলেও পূর্ণগতি অর্থাৎ ১২০ কিলোমিটার বেগ পাওয়া যাবে না। চালু হওয়ার ঠিক দুই মাসের মধ্যে সেতুর দুপাশে সিবিআইএস সংযুক্ত করা সম্ভব হবে বলে তিনি জানান।

প্রকল্প সূত্র জানায়, ২০২০ সালের আগস্ট মাসে ৯ হাজার ৭৩৪ দশমিক ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। পরবর্তীতে এ ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ১৬ হাজার ৭৮০ দশমিক ৯৬ কোটি টাকা। যার ১২ হাজার ১৪৯ দশমিক ২ কোটি টাকা জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) ঋণ হিসেবে দিয়েছে। এ প্রকল্পের মূল নির্ধারিত সময় ছিল জুলাই ২০১৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৩। কিন্তু প্রথম সংশোধনে এ সময়সীমা ডিসেম্বর ২০২৫ এ স্থানান্তরিত করা হয়। এরআগে ২০১৬ সালের ৬ ডিসেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রকল্পটি অনুমোদন দেয়।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০