মো.মোকলেসুর রহমান মামুন :
সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হিসেবে এ্যাড. সিমকী ইমাম খান-কে দেখতে চান সিরাজগঞ্জবাসী। জেলা ও বিভিন্ন উপজেলার তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সাধারণ মানুষের মাঝে এমন প্রত্যাশা দিন দিন জোরালো হচ্ছে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির উপদেষ্টা হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। আন্দোলন-সংগ্রামে সাহসী অবস্থান, রাজপথে সরব উপস্থিতি এবং নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা তাকে তৃণমূলের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।
২০১৪ সালের ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’ আন্দোলনে জীবনঝুঁকি উপেক্ষা করে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ দলীয় অঙ্গনে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়। সেই সময় তার সাহসিকতা ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করে। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও দলের প্রতি আনুগত্য ও দৃঢ় অবস্থান তাকে একজন আপসহীন ও কর্মীবান্ধব নেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তিনি সমানভাবে সক্রিয়। সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে শিক্ষা, ধর্মীয় ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে তার সম্পৃক্ততা স্থানীয়ভাবে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তা, অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে তার ভূমিকা প্রশংসিত।
জেলা ও উপজেলা বিএনপির একাধিক নেতা ও সাধারণ মানুষ মনে করেন, অভিজ্ঞতা, সাহসিকতা ও মানবিকতার সমন্বয়ে এ্যাড. সিমকী ইমাম খান সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য একজন যোগ্য প্রার্থী। দলীয় সিদ্ধান্তে মনোনয়ন পেলে তিনি সংসদে সিরাজগঞ্জবাসীর আশা-আকাঙ্ক্ষা তুলে ধরতে সক্ষম হবেন বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
এ্যাড. সিমকী ইমাম খান বলেন,“আমি রাজনীতিকে ব্যক্তিগত প্রাপ্তি বা পদ-পদবির বিষয় হিসেবে দেখি না; এটি আমার কাছে আদর্শ, দায়বদ্ধতা ও মানুষের সেবার একটি পথ। দীর্ঘদিন ধরে দলের আন্দোলন-সংগ্রাম ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে যে দায়িত্ব পালন করেছি, তা ছিল দল ও জনগণের প্রতি আমার নৈতিক অঙ্গীকারের অংশ।

তিনি আরও বলেন,“সংরক্ষিত নারী আসনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে দল। দল যদি আমাকে যে কোনো দায়িত্ব দেয়, আমি তা সততা, নিষ্ঠা ও সাহসিকতার সঙ্গে পালন করবো, ইনশাআল্লাহ। আমার শক্তি হলো সিরাজগঞ্জবাসীর ভালোবাসা এবং তৃণমূল নেতাকর্মীদের আস্থা।”
নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের প্রসঙ্গে তিনি বলেন,“নারীর অংশগ্রহণ ছাড়া গণতন্ত্র পূর্ণতা পায় না। সংসদে নারীর কণ্ঠ আরও শক্তিশালী হওয়া প্রয়োজন। সুযোগ পেলে আমি নারী অধিকার, শিক্ষা, ন্যায়বিচার এবং সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষায় সক্ষম হবেন।






