ছাম্মি আহমেদ আজমীর :
সিরাজগঞ্জ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের গয়লা গ্রামের গর্বিত সন্তান জান্নাতুল শর্মি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে পুলিশ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে অর্জন করেছেন বিশেষ সম্মাননা। তিনি মো: হাসানের কন্যা এবং সিরাজগঞ্জ পৌরসভার ইউপিপিআর প্রকল্পের সাবেক নেত্রী মোমেনা বেগমের বড় মেয়ে। প্রবাসের মাটিতে নিজের যোগ্যতা, সততা ও সাহসিকতার মাধ্যমে তিনি শুধু নিজের পরিবার নয়, পুরো সিরাজগঞ্জবাসীর মুখ উজ্জ্বল করেছেন।বাংলাদেশ আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক প্রদত্ত এই সম্মাননা তার পেশাগত দক্ষতা, মানবসেবায় আত্মনিয়োগ এবং দায়িত্বশীলতার এক উজ্জ্বল স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।জান্নাতুল শর্মির এই অর্জন প্রমাণ করে পরিশ্রম, সততা ও আত্মবিশ্বাস থাকলে একজন নারীও বিশ্বমঞ্চে নিজের অবস্থান দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করতে পারেন। প্রবাসে থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে তিনি নারীর ক্ষমতায়নের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
সিরাজগঞ্জ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মো: তাজ উদ্দিন শেখ জানান,ছোটবেলা থেকেই শর্মি ছিলেন মেধাবী, পরিশ্রমী ও দৃঢ়চেতা। জীবনের প্রতিটি ধাপে তিনি চ্যালেঞ্জকে সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করে আজকের এই অবস্থানে পৌঁছেছেন।তিনি আরও বলেন, “শর্মির এই সাফল্য শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয় এটি সমগ্র সমাজের জন্য গর্বের এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য এক উজ্জ্বল আলোকবর্তিকা। বিশেষ করে নারীদের জন্য তার এই অর্জন অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক। তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কঠোর পরিশ্রম করলে যেকোনো প্রতিকূলতাকে জয় করা সম্ভব।
এলাকাবাসীর মতে তার এই সাফল্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নারীদের স্বপ্ন দেখতে,আত্মবিশ্বাসী হতে এবং নেতৃত্বের পথে এগিয়ে যেতে সাহস জোগাবে।পরিবার,আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসী তার এই অসামান্য অর্জনে অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। সকলেই তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন এবং মহান আল্লাহর দরবারে তার আরও সাফল্য,সুস্বাস্থ্য ও সুখ-শান্তি কামনা করেছেন।






