মোঃ হোসেন আলী ছোট্ট : সিরাজগঞ্জে নো ফুয়েল কার্ড, নো পেট্রল-অকটেন’ নীতি গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন। ফুয়েল কার্ড দেখিয়ে পেট্রলপাম্প থেকে গ্রাহককে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে হবে। জ্বালানি তেলের সংকট মোকাবিলায় আগামী ৫ এপ্রিল থেকে জেলায় মোটরসাইকেলের মালিক-চালকদের জন্য এই নীতির বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে। ফুয়েল কার্ড পেতে মোটরসাইকেলের মালিক-চালকদের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ ২০২৬) সকাল থেকে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কার্ড সংগ্রহের জন্য হাজার হাজার মানুষের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। আগামী ৫ এপ্রিল থেকে এই কার্ড ছাড়া জেলায় কোনো যানবাহনে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হবে না বলে জানিয়েছে প্রশাসন।জানা গেছে, সোমবার সকাল থেকে যানবাহনের মালিকরা ফুয়েল কার্ড সংগ্রহের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন কপি, ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং একটি পাসপোর্ট সাইজের ছবি জমা দিচ্ছেন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৩১ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত এই কাগজপত্র জমা দিয়ে বিনামূল্যে ফুয়েল কার্ড সংগ্রহ করা যাবে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে সরকার নির্ধারিত ফুয়েল কার্ড ছাড়া জ্বালানি তেল কেনা যাবে না। সিরাজগঞ্জ জেলায় প্রতিদিন ২২টি তেল পাম্পে সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত তেল বিতরণ চলবে। তবে কৃষি ও পরিবহন খাতে কিছুটা শিথিলতা রাখা হয়েছে—এই খাতে ২৪ ঘণ্টাই ডিজেল সংগ্রহ করা যাবে।এদিকে গ্রাহকরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড সংগ্রহে তাদের দাবি, ভোগান্তি লাগবে মেয়াদ আরও দুয়েকদিন বাড়ানো হোক।
সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) আসসাদিক জামান তিনি বলেন, ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি সংগ্রহ শুরু হলে তেলপাম্পগুলোতে বিশৃঙ্খলা রোধ করা যাবে। এমনকি কালোবাজারির চেষ্টা যারা করছে, তাদেরও নিয়মের মধ্যে আনা সম্ভব হবে। ফলে জ্বালানি সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনা অনেকটাই স্বাভাবিক হবে।






