সোমবার, ২০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
তাড়াইলে আট বছরের শিশু রাহুলের ফুটবলে অবাক করা প্রতিভা,সরকারের সু-দৃষ্টি কামনা
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিন্ডিকেট ভাঙার দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান
শাহজাদপুরে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডক্টর এম এ মুহিত
বগুড়া যাওয়ার পথে সিরাজগঞ্জে গণমানুষের ভালবাসায় সিক্ত হলেন- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সিরাজগঞ্জ-রাজশাহী রুটে জেনিন ও এসআই পরিবহন চলাচল নিয়ে-মালিক-শ্রমিকদের দ্বন্দ্ব !
ভিক্টোরিয়া হাই স্কুলের এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
পাবনা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ বিশেষ অভিযানে অস্ত্রসহ গ্রেফতার-১
ভাঙ্গুড়া উপজেলায় মাদকসেবীকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড সহ অর্থদণ্ড ভ্রাম্যমাণ আদালতের
ঈদুল আযহা সামনে রেখে সিরাজগঞ্জে মহাসড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
সিরাজগঞ্জে বাংলাদেশ স্কাউটস,রোভার অঞ্চলের সিনিয়র রোভারমেট ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত

বেলকুচিতে পোষ্ট মাস্টারের বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখলের অভিযোগ

মোঃ জুবায়ের হোসাইন, বেলকুচি প্রতিনিধি:

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার দৌলতপুর গ্রামে পোষ্ট মাস্টার আলম হোসেনের বিরুদ্ধে সরকারি জমি অবৈধভাবে দখলের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী লাল মিয়া জানান, করোনা মহামারির সময় তিনি বাবুল মিয়ার কাছ থেকে ১০ শতক জমি ক্রয় করেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, পোষ্ট মাস্টার আলম হোসেন সেই জমি না মেপেই জোরপূর্বক তার বসতবাড়ির অংশসহ অতিরিক্ত সরকারি জায়গাও দখল করে নেন।

লাল মিয়ার অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় গেলে পোষ্ট মাস্টার আলম হোসেন তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ও হত্যার হুমকি দেন। পরবর্তীতে স্থানীয় গ্রাম পরিচালনা কমিটির কাছে অভিযোগ জানানো হলে তারা জায়গাটি সঠিকভাবে মেপে বুঝিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত দেন। কিন্তু আলম হোসেন সেই সিদ্ধান্ত মানতে অস্বীকৃতি জানান এবং সরকারি পদবির প্রভাব দেখিয়ে জমিটি দখল করে রাখেন।

তিনি শুধু নিজের ক্রয়কৃত জমিতেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বরং সরকারি জায়গা দখল করে ট্রাকযোগে মাটি ফেলে এবং চারপাশে টিনের বেড়া দিয়ে নিজ নামে মালিকানা দাবি করেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ওই জায়গায় আগে একটি ক্লাব ঘর ছিল এবং সরকারি বরাদ্দে ক্লাবটি সংস্কারের প্রক্রিয়া চলছিল।

এ বিষয়ে স্থানীয় ভূমি কর্মকর্তাকে জানানো হলে তিনি সরকারি জায়গায় মাটি ভরাট বন্ধ করতে বলেন। তবে পোষ্ট মাস্টার আলম হোসেন ওই নির্দেশ অমান্য করে পুনরায় জায়গাটি দখলের চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে ভুক্তভোগী লাল মিয়া সাংবাদিকদের ডেকে আনেন এবং অভিযোগ দাখিল করেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পোষ্ট মাস্টার আলম হোসেন বলেন, “আমি ১০ শতক জায়গা কিনেছি এবং ওই ১০ শতকের মধ্যেই বাউন্ডারি দিয়েছি। যদি কোনোভাবে অতিরিক্ত জায়গা দখল হয়ে থাকে, তাহলে আমি তা খালি করে দেব।”

তবে স্থানীয়রা দাবি করছেন, এটি সরকারি সম্পত্তি, যেখানে একটি ক্লাব ঘর ছিল এবং সেটি সংস্কার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এলাকাবাসীর জোর দাবি, জায়গাটি দ্রুত পুনরুদ্ধার করে ক্লাবের সংস্কারকাজ শুরু করতে হবে এবং দখলদারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০