মঙ্গলবার, ২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
পঞ্চগড়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ১০ সদস্য গ্রেপ্তার
স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট থেকে এমপি নির্বাচিত হয়ে কানাডার পার্লামেন্টে ইতিহাস গড়লেন মৌলভীবাজারের কন্যা
তাড়াইলে আট বছরের শিশু রাহুলের ফুটবলে অবাক করা প্রতিভা,সরকারের সু-দৃষ্টি কামনা
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিন্ডিকেট ভাঙার দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান
শাহজাদপুরে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডক্টর এম এ মুহিত
বগুড়া যাওয়ার পথে সিরাজগঞ্জে গণমানুষের ভালবাসায় সিক্ত হলেন- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সিরাজগঞ্জ-রাজশাহী রুটে জেনিন ও এসআই পরিবহন চলাচল নিয়ে-মালিক-শ্রমিকদের দ্বন্দ্ব !
ভিক্টোরিয়া হাই স্কুলের এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
পাবনা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ বিশেষ অভিযানে অস্ত্রসহ গ্রেফতার-১
ভাঙ্গুড়া উপজেলায় মাদকসেবীকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড সহ অর্থদণ্ড ভ্রাম্যমাণ আদালতের

কামারখন্দে নগদ অ্যাকাউন্টের টাকা উধাও,থানায় নারী গ্রাহক

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ওটিপি বা কোনো প্রকারের নোটিফিকেশন ছাড়াই সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে সালমা খাতুন নামের এক নারীর নগদ অ্যাকাউন্ট থেকে দুই দফায় ৪২ হাজার ২৫০ টাকা উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ জুলাই বিকেল ৫টা ৫২ মিনিটে সালমা খাতুনের অ্যাকাউন্ট থেকে অজ্ঞাতভাবে ১০ হাজার ১৫০ টাকা ০১৬১৪…..১ নম্বরে চলে যায়। পরদিন ৩০ জুলাই বেলা ১১টা ৪৯ মিনিটে আরও ৩২ হাজার ১০০ টাকা ০১৭৭৮…..২ নম্বরে চলে যায়। পরে টাকা তুলতে গিয়ে অ্যাকাউন্টে কোনো অর্থ না থাকায় বিষয়টি তার নজরে আসে।

জানা গেছে, ভুক্তভোগী সালমা খাতুনের নামে থাকা নগদ অ্যাকাউন্টটি ব্যবহার করতেন বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (বিআরডিবি) মাঠকর্মী ও কামারখন্দের বাসিন্দা নার্গিস পারভীন।

এ ব্যাপারে নার্গিস পারভীন বলেন, নগদ অ্যাকাউন্টটি খোলা হয়েছিল সালমা খাতুনের নামে এবং তার সম্মতিতেই। আমি নিয়মিত অন্যান্য গ্রাহকের কিস্তির টাকা এই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে আদায় করতাম। কিন্তু গত ২৯ ও ৩০ জুলাই দুই ধাপে অ্যাকাউন্টে মোট ৪২ হাজার ৩৫০ টাকা আসার পর টাকা তুলতে গিয়ে দেখি অ্যাকাউন্টে কোনো অর্থ নেই। বিষয়টি জানতে পেরে নগদ কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করলে তাকে জানানো হয়, অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়েছে।

ভুক্তভোগী আরও বলেন, আমি কোনো ওটিপি কাউকে দিইনি, কোনো এসএমএস বা ফোনও আসেনি। অথচ অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা চলে গেছে। নগদের গাফিলতির কারণেই প্রতারকরা টাকা তুলতে সক্ষম হয়েছে। আমি আমার টাকা ফেরত চাই।

কামারখন্দ থানার এএসআই মাসুদ রানা  বলেন, বিষয়টি নিয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে। আমি ওসি স্যারের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। তবে ভুক্তভোগী যদি সরাসরি নগদ অফিসে যোগাযোগ করেন, তাহলে দ্রুত সমাধান পাওয়া যেতে পারে।(সুত্র-কালবেলা)

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০