শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
সিরাজগঞ্জে ধুকুরিয়াবেড়াকে রোল মডেল ইউনিয়ন গড়ার প্রতিশ্রুতি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নূর আলমের
উল্লাপাড়ায় স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকাসহ ১০ লাখ টাকার মালামাল চুরি
ভাঙ্গুড়া পৌরসভায় চলমান উন্নয়ন প্রকল্প সমূহের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত
সিরাজগঞ্জে উপজেলা পর্যায়ে স্টার্টআপ,বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী কর্মসূচির উদ্বোধন
সিরাজগঞ্জে মুসল্লিদের মোটরসাইকেল নিরাপত্তায় ফ্রী টোকেন গ্যারেজ করলেন হাজী মোঃ আব্দুস সাত্তার
প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে ভিক্টোরিয়া হাই স্কুলের দুর্দান্ত জয়
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ গ্রেফতার ৩৫
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ব্র্যাকের উদ্যোগে ১৫ প্রান্তিক সদস্যের মাঝে ৩০০ পিস হাঁসের বাচ্চা বিতরণ
বড়ালব্রিজ ও চাটমোহর রেলস্টেশনে ট্রেনের আসন ও যাত্রাবিরতি বৃদ্ধির দাবি এমপি রুমার
সাংবাদিক পরিচয়ে অটোচালকের ২৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ,প্রতারণা মামলায় মিমুল গ্রেফতার

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে আস্তিকতার বীজ বপনকারী সাধকদের স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণের দাবি

এ সালাম চান তরফদার,ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ খামারপাড়া গ্রামে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী পাঁচ পীরের দরগা আজও ইতিহাস ও আধ্যাত্মিকতার এক নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। সম্প্রতি এই দরগা পরিদর্শনে গিয়ে স্থানীয়দের মুখে জানা যায়, এখানে সমাহিত রয়েছেন হযরত শাহ সুলতান কমরউদ্দীন (রুমি) (রহ.)-এর সফরসঙ্গী হিসেবে পরিচিত পাঁচজন আধ্যাত্মিক সাধক, যাদের সম্মিলিতভাবে ‘পাঁচ পীর’ নামে ডাকা হয়।

স্থানীয়দের বিশ্বাস, এই দরগায় শায়িত সাধকগণের রূহানী প্রভাব ও আধ্যাত্মিক ফয়েজ আজও এলাকার মানুষ উপলব্ধি করে থাকেন। সে কারণেই প্রতি বছর মাঘী পূর্ণিমা উপলক্ষে এখানে ওরস, ছামা-কাওয়ালী, ধর্মীয় আলোচনা ও ভক্তিমূলক নানা আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। এতে দূর-দূরান্ত থেকে হাজারো ভক্ত, দর্শনার্থী ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। শিশু, কিশোর, যুবক ও প্রবীণসহ সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

লোককথা ও জনশ্রুতি অনুযায়ী, এসব সাধক ইয়েমেন থেকে বাংলায় আগমন করেছিলেন। তারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থান করে ইসলামের শিক্ষা, মানবতা, নৈতিকতা ও আধ্যাত্মিকতার বাণী প্রচার করেন। তাদের প্রচেষ্টা ও ত্যাগের মাধ্যমেই এ অঞ্চলে ধর্মীয় চর্চা ও আধ্যাত্মিকতার ভিত্তি সুদৃঢ় হয় বলে স্থানীয়দের ধারণা।

ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক এই দরগাটি বর্তমানে অনেকটা অযত্ন ও অবহেলার মধ্যে রয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, দেশের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে পাঁচ পীরের দরগাটি সংরক্ষণ ও সংস্কার করা প্রয়োজন। এতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এই অঞ্চলের আধ্যাত্মিক ইতিহাস সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবে এবং মহান সাধকগণের স্মৃতি আরও সম্মানের সঙ্গে সংরক্ষিত হবে।

স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের বিত্তবান মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, যেন এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটির সংস্কার ও উন্নয়নে এগিয়ে আসেন। তাদের বিশ্বাস, এমন উদ্যোগ শুধু একটি দরগার সংরক্ষণই নয়, বরং বাংলার আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০