,
সর্বশেষ
সিরাজগঞ্জে যমুনার ভাঙনে পূর্ব বাহুকায় বাঁধে ধস, আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ
সিরাজগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে একাত্তর টেলিভিশনের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
বিয়ানীবাজার সীমান্তে ৩৬ বোতল ভারতীয় মদ আটক
নানিয়ারচরে সেনাবাহিনীর অভিযানে চুরি হওয়া বিপুল পরিমাণ সেগুন কাঠ উদ্ধার
এনায়েতপুরে থানা বিএনপির সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি লিয়াকত আলীর ৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা‎
শাহজাদপুরে এক ট্রাক অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল পুড়িয়ে ধ্বংস
খুকনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী নিখোঁজ : সন্ধানের দাবিতে মানববন্ধন
বন্ধ ও লোকসানি রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা পুনরুজ্জীবনে বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
নওগাঁয় সুবিধাবঞ্চিত ৪১ ব্যক্তির মাঝে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা অনুদান বিতরণ
ভাঙ্গুড়ায় মাদক সেবনের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতে অর্থদন্ড সহ কারাদণ্ড

নানিয়ারচরে সেনাবাহিনীর অভিযানে চুরি হওয়া বিপুল পরিমাণ সেগুন কাঠ উদ্ধার

ফটোকার্ড

শহিদুল ইসলাম, সিলেট প্রতিবেদক:

রাঙ্গামাটি জেলায় নানিয়ারচর সেনা জোনের তাৎক্ষণিক ও কার্যকর অভিযানে চুরি হওয়া প্রায় ১৩ লাখ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ সেগুন কাঠ উদ্ধার করা হয়েছে।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, গত রাতে নানিয়ারচর উপজেলার রাবার বাগান এলাকা থেকে আনুমানিক ১৫ লাখ টাকার সেগুন কাঠ (গোলকাঠ) চুরির ঘটনা ঘটে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে নানিয়ারচর জোনের জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল মোঃ মশিউর রহমান, পিএসসি এর নির্দেশনায় সিনিঃ ওয়াঃ অফিঃ শহিদুল্লাহ এর নেতৃত্বে একটি টহল দল দ্রুত উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে।

নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্য ও স্থানীয় সূত্রের ভিত্তিতে আরও জানা যায় যে, চুরি হওয়া কাঠগুলো রামহরিপাড়া ও তক্ষশীলা এলাকার সড়ক ব্যবহার করে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে নানিয়ারচর জোনের টহল দল সম্ভাব্য স্থানে অভিযান ও তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করে। অভিযানকালে উপজেলার কৃষ্ণমাছড়া পুকুর এলাকায় একটি গোপন স্থানে রাখা বিপুল পরিমাণ সেগুন কাঠ (গোলকাঠ) উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত কাঠের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৩ লাখ টাকা। পরবর্তীতে, কাঠের মালিক মোঃ সোহেল মিয়া ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উদ্ধারকৃত কাঠসমূহ শনাক্ত করেন। নানিয়ারচর জোন কর্তৃক উদ্ধারকৃত কাঠ নিরাপদে স্থানান্তর ও মালিকের নিকট হস্তান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করে।

সেনাবাহিনীর এ দ্রুত, পেশাদার ও সময়োপযোগী পদক্ষেপের ফলে বিপুল পরিমাণ সম্পদ উদ্ধার সম্ভব হয়েছে, যা স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তৎপরতা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার পাশাপাশি জনগণের জানমাল ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

শেয়ার করুনঃ