,
সর্বশেষ
সিরাজগঞ্জে পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নে সাধারণ সম্পাদক পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত এম.এ ওয়াহাব
রাজশাহীতে ট্যাপেন্টাডল সেবনের দায়ে যুবকের কারাদণ্ড
যমুনা ভাঙনে নিঃস্ব শতবর্ষী রহিতননেছার পাশে দাড়ালেন শাহজাদপুর উপজেলা প্রশাসন
ভাঙ্গুড়ায় নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল ব্যবহারের দায়ে মোবাইল কোর্টের অভিযান
রানীগ্রামে পানিবন্দি অসহায় মানুষের যাতায়াত সুবিধার্থে তিনটি নৌকা দিলেন চেম্বারের পরিচালক আলামিন
সিরাজগঞ্জে খান মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের দই কারখানায় ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান, ৮০ হাজার টাকা জরিমানা
সিরাজগঞ্জ পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতা নিরসন ও নিষ্কাশনের দাবিতে লিখিত আবেদন
সিংড়ায় জামতলী-বামিহাল সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি আনু
জীবিকার স্টিয়ারিং হাতে, সমাজসেবায় নিবেদিত দুই অটোরিকশা চালক
আন্দোলন-সংগ্রামের রাজপথের ত্যাগী নেতা মজিবুর রহমান লেবু: নুর কায়েম সবুজ

যমুনা ভাঙনে নিঃস্ব শতবর্ষী রহিতননেছার পাশে দাড়ালেন শাহজাদপুর উপজেলা প্রশাসন

ফটোকার্ড

মো.মোকলেসুর রহমান মামুন :
যমুনা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে বসতভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়া সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার শতবর্ষী রহিতননেছার পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। তাঁকে বয়স্ক ভাতা কার্ড, নগদ অর্থ ও খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি একটি ঘরসহ প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই ২০২৬) দুপুরে শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবরিনা সারমিন নিজ কার্যালয়ে রহিতননেছাকে ডেকে এনে এসব সহায়তা প্রদান করেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত শাহজাদপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল্লাহ আল মামুন রহিতননেছাকে নগদ অর্থ সহায়তা দেন।

রহিতননেছার বাড়ি উপজেলার সোনাতনী ইউনিয়নের ধীতপুর গ্রামে। চলতি বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই যমুনা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে তাঁর একমাত্র বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এরপর থেকে তিনি মেয়েকে নিয়ে ভাঙনকবলিত এলাকায় চরম মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন।

সম্প্রতি ইউএনও সাবরিনা সারমিন ধীতপুর গ্রামের ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে রহিতননেছার অসহায় জীবনযাত্রা দেখে মর্মাহত হন। সেখানেই তিনি তাঁকে দ্রুত বয়স্ক ভাতা কার্ডসহ প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেন এবং বিষয়টি বাস্তবায়নে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোকবুল হোসেনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

ইউএনওর নির্দেশনা অনুযায়ী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোকবুল হোসেন দ্রুত সময়ের মধ্যে রহিতননেছার বয়স্ক ভাতা কার্ডের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। একই সঙ্গে তাঁর মাথা গোঁজার ঠাঁই নিশ্চিত করতে সমাজসেবা অফিসের মাধ্যমে একটি ঘর নির্মাণের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।

জীবনের শেষ প্রান্তে এসে সরকারি এ সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন শতবর্ষী রহিতননেছা। তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবরিনা সারমিনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তাঁদের জন্য প্রাণভরে দোয়া করেন।

শেয়ার করুনঃ