শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
মৃত্যুর ৫১ বছর পরও অবিস্মরণীয় সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ
সিরাজগঞ্জের রায়পুরে রেল জংশন প্রতিষ্ঠার দাবিতে মানববন্ধন
হাতিরঝিলে পরিচ্ছন্নতা অভিযান: গ্রীন ও ক্লিন ঢাকার বার্তা দিল রাজউক জাতীয়তাবাদী শ্রমিক-কর্মচারী দল
কাজিপুরে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত
সিরাজগঞ্জে ধুকুরিয়াবেড়াকে রোল মডেল ইউনিয়ন গড়ার প্রতিশ্রুতি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নূর আলমের
উল্লাপাড়ায় স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকাসহ ১০ লাখ টাকার মালামাল চুরি
ভাঙ্গুড়া পৌরসভায় চলমান উন্নয়ন প্রকল্প সমূহের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত
সিরাজগঞ্জে উপজেলা পর্যায়ে স্টার্টআপ,বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী কর্মসূচির উদ্বোধন
সিরাজগঞ্জে মুসল্লিদের মোটরসাইকেল নিরাপত্তায় ফ্রী টোকেন গ্যারেজ করলেন হাজী মোঃ আব্দুস সাত্তার
প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে ভিক্টোরিয়া হাই স্কুলের দুর্দান্ত জয়

তাড়াশে হাট-বাজার উন্নয়নে স্থবিরতা,দুর্ভোগে জনসাধারণ

Download Photocard

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার হাট-বাজারগুলো দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়নের ছোঁয়া থেকে বঞ্চিত। অথচ, এসব হাট-বাজার থেকে প্রতিবছর সরকারের রাজস্ব আয় কোটি কোটি টাকা। এই অর্থ ব্যাংকে জমা থাকলেও বাজারগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ ও আধুনিকায়নে নেই কার্যকর কোনো উদ্যোগ।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তথ্যমতে, তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নরুল ইসলাম প্রায় ৬ কোটি টাকার একটি প্রকল্প চূড়ান্ত করেছিলেন ২৫টি হাট-বাজার উন্নয়নের জন্য। কিন্তু তার বদলির পর প্রকল্প বাস্তবায়ন থমকে যায়। বর্তমান ইউএনও নুসরাত জাহান সম্মতি দিলেই টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা প্রকৌশলী ফজলুল হক।

তাড়াশের ঐতিহ্যবাহী নওগাঁ হাটের ইজারাদার মো. নিজাম উদ্দিন জানান, প্রায় ২ কোটি ৮৫ লাখ টাকায় ইজারা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু হাটে কোনো উন্নয়ন নেই। সেড ভেঙে পড়েছে, ভেতরের রাস্তা বেহাল, ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাবে জলাবদ্ধতা ভয়াবহ।

বিনসাড়া হাটের ইজারাদার নুরুল ইসলাম বলেন, উপজেলার সবচেয়ে বড় ধানের হাট বিনসাড়ায় কোনো সেড নেই। বাধ্য হয়ে কৃষকরা সড়কের দুই পাশে ধান বিক্রি করেন, ফলে ঝুঁকি বাড়ছে। শত বছরের এই হাট এখন ধ্বংসের মুখে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম আব্দুর রাজ্জাক, তাড়াশ বাজারের সাবেক সেক্রেটারি, বলেন,  তিনটি সেড ভেঙে গেছে। বারবার আলোচনায় এসেছে, কিন্তু কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেই।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রোদ-বৃষ্টিতে ছাউনি না থাকায় ক্রেতা-বিক্রেতারা দুর্ভোগে। ড্রেনেজের অভাবে জমে থাকা কাদাপানিতে হাটে হাঁটাচলা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। নেই টয়লেট, নেই নলকূপ। অনেক বাজারে ভেঙে পড়ার মতো ঝুঁকিপূর্ণ অবকাঠামো।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান বলেন, হাট-বাজার উন্নয়নের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। সময়মতো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে(সুত্র-ইত্তেফাক)

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০