শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
মৃত্যুর ৫১ বছর পরও অবিস্মরণীয় সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ
সিরাজগঞ্জের রায়পুরে রেল জংশন প্রতিষ্ঠার দাবিতে মানববন্ধন
হাতিরঝিলে পরিচ্ছন্নতা অভিযান: গ্রীন ও ক্লিন ঢাকার বার্তা দিল রাজউক জাতীয়তাবাদী শ্রমিক-কর্মচারী দল
কাজিপুরে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত
সিরাজগঞ্জে ধুকুরিয়াবেড়াকে রোল মডেল ইউনিয়ন গড়ার প্রতিশ্রুতি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নূর আলমের
উল্লাপাড়ায় স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকাসহ ১০ লাখ টাকার মালামাল চুরি
ভাঙ্গুড়া পৌরসভায় চলমান উন্নয়ন প্রকল্প সমূহের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত
সিরাজগঞ্জে উপজেলা পর্যায়ে স্টার্টআপ,বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী কর্মসূচির উদ্বোধন
সিরাজগঞ্জে মুসল্লিদের মোটরসাইকেল নিরাপত্তায় ফ্রী টোকেন গ্যারেজ করলেন হাজী মোঃ আব্দুস সাত্তার
প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে ভিক্টোরিয়া হাই স্কুলের দুর্দান্ত জয়

পাবনার ফরিদপুরে সুরাইয়া হত্যার রহস্য উদঘাটন; দুই আসামি গ্রেফতার

Download Photocard

পাবনা জেলা প্রতিনিধিঃ পাবনার ফরিদপুরে নিখোঁজের পাঁচ দিন পর একটি ডোবা থেকে উদ্ধার হওয়া স্কুলছাত্রী সুরাইয়া খাতুনের (১৩) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে এ ঘটনায় জড়িত দুই জন কে গ্রেফতার করে ফরিদপুর থানায় হস্তান্তর করেছে পাবনা ডিবি পুলিশ।

ডিবি পুলিশ জানায়, সুরাইয়া সবুজ নামের এক কিশোরের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িত ছিল এবং পালিয়ে বিয়ে করার পরিকল্পনা করেছিল। তবে সংসার শুরু করতে অর্থের প্রয়োজন হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সে দুশ্চিন্তায় ছিল। এ সুযোগে সুরাইয়ার আপন চাচাতো বোন ডালিয়া ও তার স্বামী আব্দুল লতিফ পরিকল্পনা করে। শারীরিক অসুস্থতার কারণে লতিফ কাজ করতে না পারায় তাদের সংসারে দীর্ঘদিন ধরে অভাব চলছিল। তারা সুরাইয়ার দাদা-দাদির কাছ থেকে টাকা আদায়ের সিদ্ধান্ত নেয়। একই সঙ্গে তারা সুরাইয়া ও তার প্রেমিকের বিয়ে এবং নিজেদের সংসারের অভাব মেটানোর স্বার্থে একটি সাজানো অপহরণের নাটক করে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৩ জানুয়ারি ডালিয়া বাবার বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে সুরাইয়াকে নিয়ে কাজিটোল এলাকায় যায়। সেখানে আগে থেকেই অবস্থান করছিল লতিফ। পরে তিনজন মিলে জন্তিহার গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ঘরে যায়। সেখানে খাবারের সঙ্গে কৌশলে সুরাইয়াকে একাধিক ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো হয়। পরে গভীর রাতে তারা ওই ঘরে গিয়ে দেখে সুরাইয়ার শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে গেছে এবং সে মারা গেছে। ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নিতে তারা মৃতদেহের হাত-পা বেঁধে রাতের মধ্যে পাশের একটি পুকুরে ফেলে দেয়। পরবর্তীতে অপহরণের ঘটনা সত্য প্রমাণের জন্য ১৭ জানুয়ারি লতিফের ব্যবহৃত একটি সিমকার্ড থেকে সুরাইয়ার দাদার কাছে ফোন করে চাঁদা দাবি করা হয়।

এ বিষয়ে পাবনা ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মোঃ রাশেদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর থেকেই জেলা গোয়েন্দা শাখা নিবিড়ভাবে তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত আসামি আব্দুল লতিফ (জন্তিহার, ফরিদপুর) এবং ডালিয়া (ভিকটিমের চাচাতো বোন ও লতিফের স্ত্রী)–কে ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

পাবনা জেলা পুলিশ দ্রুত ও পেশাদারিত্বপূর্ণ তদন্তের মাধ্যমে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে অপরাধীদের আইনের আওতায় এনেছে। জেলা পুলিশ জানায়, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনের শাসন সমুন্নত রাখতে তারা সর্বদা বদ্ধপরিকর।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০