মোঃ হোসেন আলী (ছোট্ট,) সিরাজগঞ্জে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সিরাজগঞ্জ সদর ও কামারখন্দ –২ আসনের নির্বাচনী প্রথম প্রচারণা শুরু করেছেন গভীর শ্রদ্ধা ও আবেগের মধ্য দিয়ে। প্রচারণা শুরুর আগে তিনি তাঁর পিতা মরহুম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ও মায়ের কবর জিয়ারত করেন এবং তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন, সিরাজগঞ্জ–২ আসনের জনগণের সেবা ও কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে শুরু করেন নির্বাচনী প্রচারও প্রচারণা ও ভোট প্রার্থনা শুরু করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি ২০২৬,) দুপুরের দিকে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু তাঁর নিজ জন্মভূমি কয়ালগাঁতীতে তার
পিতা ও মাতার কবর জিয়ারত করেন।
কবরের সামনে দাঁড়িয়ে দুহাত তুলে মহান আল্লাহর দরবারে তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন তিনি। এ সময় কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় তাঁকে। শৈশব-কৈশোরের স্মৃতি আর বাবা-মায়ের স্নেহমাখা দিনগুলোর কথা মনে করে তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। তাঁর চোখের কোণে জমে থাকা জল যেন বলছিল—রাজনীতির এই দীর্ঘ ও কণ্টকাকীর্ণ পথে মা-বাবার দোয়া আর আদর্শই তাঁর পরম পাথেয়।কবর জিয়ারত শেষে মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করে এক বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন তিনি। এরপর উপস্থিত সকলের উদ্দেশে অত্যন্ত ভারাক্রান্ত কিন্তু দৃঢ় কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমার জীবনের প্রতিটি স্পন্দন এই সিরাজগঞ্জের মাটির সাথে মিশে আছে। ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু আরও বলেন, “সিরাজগঞ্জ–২ আসনের প্রতিটি মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং তাঁদের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। আমি বিশ্বাস করি, মা-বাবার দোয়া এবং আপনাদের অকৃত্রিম ভালোবাসা থাকলে এই জনপদকে একটি আধুনিক ও নিরাপদ জনপদ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।

প্রচারণার শুরুতেই এমন আবেগঘন মুহূর্ত দেখে সাধারণ ভোটারদের মাঝে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া দেখা গেছে। উপস্থিত এক বয়োবৃদ্ধ সমর্থক বলেন, “নেতা তো অনেকেই হন, কিন্তু নিজের শেকড়কে এভাবে সম্মান জানিয়ে জনগণের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার মানসিকতা টুকু সাহেবের মতোই ব্যক্তিত্বের পক্ষেই সম্ভব।”এসময়ে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোঃ আনিসুজ্জামান পাপ্পু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নূর কায়েম সবুজ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোরাদুজ্জামান মুরাদ, সিরাজগঞ্জ সদর থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ নাজমুল ইসলাম, জেলা ছাত্র দলের সভাপতি মোঃ জুনায়েদ হোসেন সবুজ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম সেরাজ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মোঃ আব্দুল্লাহ আল কায়েস,সহ অন্যন্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। জিয়ারত শেষে তিনি নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ ও সাধারণ মানুষের সাথে কুশল বিনিময় শুরু করেন।

উল্লেখ্য, জাতীয় নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে সিরাজগঞ্জের রাজনীতিতে টুকু এই প্রচারণা শুরু এক নতুন মাত্রা যোগ করল। তাঁর এই আবেগঘন পথচলা কেবল নির্বাচনী কৌশল নয়, বরং সাধারণ মানুষের প্রতি তাঁর গভীর দায়বদ্ধতারই বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।






