মোঃ হোসেন আলী ছোট্র ; সিরাজগঞ্জের উন্নয়নে বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর সংগ্রামী নেতা সাঈদুর রহমান বাচ্চর বিকল্প নাই বলে মনে করেন সিরাজগঞ্জ জেলা শ্রমিকদলের সহ- সভাপতি মোঃ নুর-ই আলম তালুকদার।
সিরাজগঞ্জ সংবাদ প্রতিবেদকের সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন- সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সংগ্রামী,পরিচ্ছন্ন সৎ ও মেধাবী শিক্ষা অনুরাগী কর্মীবান্ধব রাজনীতিবিদ সাঈদুর রহমান বাচ্চু ।তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য ও সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি’র বিপ্লবী সফল সাধারণ সম্পাদক । সিরাজগঞ্জ শহরের দরগা রোডস্থ এক মুসলিম সাধারণ পরিবারে ১৯৬৫ সালে তাহার জন্ম। তার পিতা মরহুম আবুল হোসেন, ছিলেন একজন সাধারণ ব্যবসায়ী। শৈশবে তার পিতা ১৯৬৯ সালে মৃত্যু বরণ করায় দারিদ্রতার সঙ্গে লড়াই করে, অনেক ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে সাইদুর রহমান বাচ্চুর আজকের এই উত্থান।
সিরাজগঞ্জ শহরের জ্ঞানদায়িনী হাই স্কুলে অধ্যয়ন কালে মাত্র ১৫ বছর বয়সেই সাইদুর রহমান বাচ্চু শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ১৯৭৯ সালে ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন।
১৯৮৪ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার সময় প্রথম তিনি রাজনৈতিক মামলায় আটক হন।পরীক্ষা হল থেকে বের হওয়ার পর পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। যার ফলে ঐ বছর তিনি আর পরীক্ষা দিতে পারিনি ।
১৯৮৩ সাল থেকে স্বৈরাচারী এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন ।ঝাঁপিয়ে পরেন সংগ্রামে । তৎকালীন শিক্ষা মন্ত্রী মজিদ খানের অবৈধ শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে তিনি তখন গ্রেফতার হয়েছিলেন।
সে সময় থেকেই তার বিরুদ্ধে হামলা, মামলা, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির যে, প্রচলন শুরু হয়েছে তা আজও শেষ হয়নি।
বর্তমানে তিনি ৬৮ টি মামলার বোঝা মাথায় নিয়ে অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন।
১৯৮৮-৮৯ ও ১৯৮৯-৯০ সালে পর পর দুইবার ছাত্র-ছাত্রীদের প্রত্যক্ষ ভোটে সিরাজগাঞ্জ সরকারী কলেজ ছাত্র-ছাত্রী সংসদের জি. এস নির্বাচিত হন।
তিনি সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজে অধ্যয়ন কালে ৯০ এর গণ আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন এবং একই বছর সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য পরিষদের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৮৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় তৎকালীন বিরোধী জোটের সঙ্গে বন্যার্ত মানুষের জন্য ‘বন্যার্ত তহবিল’ গঠন করেন। শুকনো খাবার, বস্ত্র, চিকিৎসা ও ঔষধপত্র নিয়ে ক্ষুধার্ত মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তা বণ্টন করেন।
“৯০” এর গণ আন্দোলনের পর ১৯৯১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী মরহুম মির্জা মুরাদুজ্জামান সাহেবের বিজয়ে সাইদুর রহমান বাচ্চু তার মেধা ও শ্রম দিয়ে সক্রিয় ও অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং ১৯৯২ সালে সাংসদ মির্জা মুরাদুজ্জামান সাহেবের সহায়তায় ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে সরকারী ব্যবস্থাপনায় হজ্ব টিমের সঙ্গে তিনি সৌদী আরব গমন করেন এবং হজ্ব ব্রত পালন করেছেন।
২০০১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি’র দলীয় প্রার্থী জননেতা জনাব ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সাহেবের নির্বাচনের সময়ে তিনি সক্রীয়ভাবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।তিনি ছাত্র রাজনীতি থেকে ২০০৩ সালে সিরাজগঞ্জের কৃতিসন্তান জনাব ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর সহযোগিতায় মূল দল বিএনপি’র শহর শাখার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন এবং পরবর্তীতে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু তাহাকে জেলা বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করেন।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের একজন আদর্শের সৈনিক সাইদুর রহমান বাচ্চু ।গণ মানুষের ন্যায় সংগত দাবী আদায়ে ও রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে বেশ কয়েকবার কারাবরণ করেন ।রাজনীতির পাশাপাশি তিনি সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সংগঠনের সাথেও সম্পৃক্ত রয়েছেন। তিনি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির আজীবন সদস্য।
আর্তমানবতার সেবায়ও সাইদুর রহমান বাচ্চুর ভূমিকা প্রশংসার দাবীদার । বিএনপি’র কোন নেতাকর্মী বিপদগ্রস্ত হলে সঙ্গে সঙ্গে তার পাশে গিয়ে দাঁড়ান তিনি ।
বর্তমানে সাইদুর রহমান বাচ্চু বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য এবং সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক পদে অধিষ্ঠিত।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি সফল রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী। তার স্ত্রী একজন শিক্ষিকা। তিন সন্তানের জনক তিনি।
তাহার মত ব্যক্তি যদি আমরা পৌরবাসী পাই তাহলে সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার সার্বিক উন্নয়নের চিত্র বদলে যাবে। আমরা পাব ১ম শ্রেণির পৌরসভার একজন প্রথম শ্রেনির মেয়র। যিনি সিরাজগঞ্জের উন্নয়নে এক বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর। তাই আমার নেতা জনাব ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর নিকট পৌরসভার একজন নাগরিক হিসেবে বিনীত অনুরোধ তিনি যেন সাইদুর রহমান বাচ্চুর মেয়র পদে মনোনয়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন।






