আলী আশরাফ,সিরাজগঞ্জ :
আজ বাংলাদেশে গৌরবজ্জলের দিন। কেননা দেশে যখন সামাজ্রাবাদ, আধিপত্যবাদের কারণে ছাত্র সমাজের চরিত্রহরণ করা হয়েছিল, ঠিক সেই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে ইসলামী ছাত্র শিবির গঠন করা হয়েছিল। প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে ইসলামী ছাত্র শিবিরে মাত্র কয়েকজন ছাত্র থাকলেও আজ ইসলামী ছাত্র শিবির ছায়াতলে হাজার হাজার নয়, লাখ লাখ ছাত্র রয়েছে। ইসলামী ছাত্র শিবির প্রতিষ্ঠা থেকেই দেশ ও ছাত্র সমাজের কল্যাণে কাজ করেছে। ৯০’র গণঅভ্যুত্থান, ৯৬’র অসহায়যোগ আন্দোলন, ০১’র আধিপত্য বিরোধী আন্দোলন ও সর্বশেষ ২৪’র জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ইসলামী ছাত্র শিবিরের ভুমিকা ছিল সর্বোচ্চ। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘হ্যা’ ভোট ও নির্বাচনে অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে থাকবে ইসলামী ছাত্রশিবির। সিরাজগঞ্জ শহর শাখায় আয়োজনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৪৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে প্রধান অতিথি হিসেবে সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ও সিরাজগঞ্জ-২ আসনে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম একথাগুলো বলেন।

আজ (৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬), শুক্রবার সকাল ১১টায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৪৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ইসলামী ছাত্র শিবির সিরাজগঞ্জ শহর শাখায় আয়োজনে বর্ণাঢ্য র্য্যালী অনুষ্ঠিত হয়। বর্ণাঢ্য র্য্যালী শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মুক্তির সোপানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বর্ণাঢ্য র্য্যালীতে গণভোটে ‘হ্যা’ বলুন, ‘দেশের জন্য দিতে প্রাণ ছাত্রশিবির অফুরান’, ‘বাংলাদেশ প্রান্ত জুড়ে শিবির জ্ঞানের চর্চা করে’, ‘সৎ মেধাবী যে পথে আগামীর বাংলাদেশ স পথে’, ‘দেশকে ভালো রাখতে হলে সৎ পথে চলতে হবে’ ও ‘সৎ এবং মেধাবী গড়বে দেশের আগামী’ স্লোগান সম্বলিত ছাত্রশিবিরের প্লাকার্ড হাতে ছিল।

ইসলামী ছাত্রশিবি সিরাজগঞ্জ শহর শাখার সভাপতি শামীম রেজার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ইসলামী ছাত্রশিবি সিরাজগঞ্জ শহর শাখার সাধারণ সম্পাদক হাবিবুল্লাহ সরকার, দফতর সম্পাদক নাজমুল হাসান প্রমুখ।
সমাবেশে ছাত্রশিবিরের বক্তারা বলেন, সংগঠনটি ৬ই ফেব্রুয়ারি ১৯৭৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে মীর কাশেম আলীর হাত ধরে জন ছাত্র নিয়ে ইসলামী ছাত্র শিবির আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। প্রতিষ্ঠাতার পর থেকে দেশের স্বার্থে এযাবত ২৩৪ জন শাহাদত বরণ করেছে। আজ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ছায়াতলে হাজার হাজার নয়, লাখ লাখ ছাত্র রয়েছে। ‘হ্যা’ মানে আযাদী ও ‘না’ মানে গোলামী। তাই আগামী জাতীয় নির্বাচনে হ্যা’ ভোটের পক্ষে থাকবে।






