ছাম্মি আহমেদ আজমীর :
“আলোকিত মানুষ গড়ার প্রত্যয়ে”এই স্লোগানকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের আয়শা রশিদ বিদ্যানিকেতন স্কুলে অনুষ্ঠিত সপ্তাহব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব ২০২৬-এর সমাপনী ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়নের চাঁদপাল কালীদাসগাঁতী এলাকায় অবস্থিত আয়শা রশিদ বিদ্যানিকেতন প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ড. আশরাফুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এলিজা সুলতানা।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের বিদ্যালয়ের পরিদর্শক মো: ওমর ফারুক,সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ ফজলুর রহমান প্রমুখ।
এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন, আয়শা রশিদ বিদ্যানিকেতনের সাবেক অধ্যক্ষ আমিনা খাতুন,পরিচালক অ্যাডভোকেট মো: সাইফুল ইসলাম, পরিচালক গাজী ফজলুল মতিন মুক্তা,পরিচালক ফেরদৌস রবিন,প্রধান শিক্ষক মোঃ মনিরুজ্জামান এবং কর্মকর্তা (হিসাব ও সম্পদ) মোঃ গোলাম মওলা তালুকদার সহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, “শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। উচ্চমান ও গুণগত শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই।” তারা আরও বলেন, আয়শা রশিদ বিদ্যানিকেতন কেবল পাঠ্যপুস্তকভিত্তিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না থেকে শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, মানবিকতা ও সৃজনশীলতা বিকাশে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষক-শিক্ষিকা,পরিচালক ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠানটি আলোকিত মানুষ গড়ার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে বলে বক্তারা উল্লেখ করেন।গুণগত শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননশীলতা বিকাশে সাংস্কৃতিক চর্চা, খেলাধুলা,চিত্রাঙ্কন, কবিতা আবৃত্তি, কুইজ প্রতিযোগিতাসহ নানামুখী কার্যক্রমে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। জাতীয় দিবসসহ বিদ্যালয়ের প্রতিটি আয়োজন সবার সহযোগিতায় সফলভাবে সম্পন্ন হচ্ছে বলেও তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠান শেষে মেধাবী ও কৃতী শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃত্তি ও সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়াও সপ্তাহব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসবের উদ্বোধনী দিনে আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার হিসেবে বই বিতরণ করা হয়।
উল্লেখ্য, উৎসবের বিভিন্ন দিনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রতিযোগিতা ও শিক্ষামূলক কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের আনন্দের পাশাপাশি শেখার পরিসর আরও বিস্তৃত হয়েছে। এই আয়োজনের মাধ্যমে আয়শা রশিদ বিদ্যানিকেতন আবারও প্রমাণ করেছেসংস্কৃতি ও মানবিক চর্চার সঙ্গে যুক্ত হলেই শিক্ষা হয় পরিপূর্ণ।






