শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
মৃত্যুর ৫১ বছর পরও অবিস্মরণীয় সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ
সিরাজগঞ্জের রায়পুরে রেল জংশন প্রতিষ্ঠার দাবিতে মানববন্ধন
হাতিরঝিলে পরিচ্ছন্নতা অভিযান: গ্রীন ও ক্লিন ঢাকার বার্তা দিল রাজউক জাতীয়তাবাদী শ্রমিক-কর্মচারী দল
কাজিপুরে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত
সিরাজগঞ্জে ধুকুরিয়াবেড়াকে রোল মডেল ইউনিয়ন গড়ার প্রতিশ্রুতি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নূর আলমের
উল্লাপাড়ায় স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকাসহ ১০ লাখ টাকার মালামাল চুরি
ভাঙ্গুড়া পৌরসভায় চলমান উন্নয়ন প্রকল্প সমূহের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত
সিরাজগঞ্জে উপজেলা পর্যায়ে স্টার্টআপ,বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী কর্মসূচির উদ্বোধন
সিরাজগঞ্জে মুসল্লিদের মোটরসাইকেল নিরাপত্তায় ফ্রী টোকেন গ্যারেজ করলেন হাজী মোঃ আব্দুস সাত্তার
প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে ভিক্টোরিয়া হাই স্কুলের দুর্দান্ত জয়

কিশোরগঞ্জে কমছে নদ-নদীর পানি,প্রাণ ফিরছে হাওরে

Download Photocard

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি : টানা বৃষ্টিপাত কমে আসায় কিশোরগঞ্জের নদ-নদীর পানি নামতে শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বেশিরভাগ পয়েন্টে পানি কমলেও একটি পয়েন্টে সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে টানা মেঘলা আবহাওয়ার পর রোদ ওঠায় হাওরাঞ্চলে ফিরেছে স্বস্তি, প্রাণ ফিরে পেয়েছেন কৃষকরা।

বুধবার সকাল ৯টায় কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জেলার ইটনা পয়েন্টে ধনু-বৌলাই নদীর পানি কমে ৩.২৮ মিটারে দাঁড়িয়েছে। চামড়াঘাটে মেঘনা নদীর পানি ২.৯৫ মিটার। ভৈরব বাজারে মেঘনা নদীর পানি কমে ১.৬৪ মিটারে দাঁড়িয়েছে। 

অন্যদিকে অষ্টগ্রামে কালনী নদীর পানি বেড়ে ২.৬৫ মিটারে পৌঁছেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, জেলার সব নদীর পানি এখনো বিপদসীমার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিভিন্ন পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ৮৭ থেকে ৪১৬ সেন্টিমিটার নীচে রয়েছে।

তবে উজানের পানির চাপ ও বৃষ্টিপাত আবার বাড়লে নদ-নদীর পানি পুনরায় বৃদ্ধি পেয়ে নতুন করে ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা দেখা দিতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন। এতে হাওরাঞ্চলের কৃষি ও জন-জীবনে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।

গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার হয়ে রোদ ওঠায় সারাদিন হাওরজুড়ে ফিরে আসে কর্মচাঞ্চল্য। ডুবে যাওয়া ক্ষেত ও খলায় স্তূপ করে রাখা ধান রক্ষায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। আজ সকালেও রোদ থাকায় সেই ব্যস্ততা অব্যাহত রয়েছে-কেউ পানি থেকে ধান তুলছেন, কেউ আবার খলায় রাখা ধান শুকাচ্ছেন।

নিকলী আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়নি।

কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বাসস’কে বলেন, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে  কৃষকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। দ্রুত ধান কেটে নিরাপদে ঘরে তোলার পরামর্শও দেয়া হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাদিকুর রহমান বাসস’কে জানান, মাঠ পর্যায়ের সর্বশেষ তথ্যমতে প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমি পানিতে তলিয়ে ৫০ হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ইটনা ও অষ্টগ্রাম উপজেলায় ক্ষতির পরিমাণ বেশি। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রণয়নের কাজ চলছে।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০