ফটোকার্ড
রফিকুল ইসলাম, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে সুনির্দিষ্ট ও নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) কর্তৃক সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করে সর্বমোট একুশ লক্ষ ছয় হাজার পাঁচশত পঁচাত্তর টাকা মূল্যের ভারতীয় মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানী মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রাগপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার গরুরা বটতলা নামক স্থানে বিজিবির একটি চৌকস টহল দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ৭.৫ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত গাঁজার আনুমানিক সিজার মূল্য (ছাব্বিশ হাজার দুইশত পঞ্চাশ) টাকা।
একই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শেওড়াতলা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার শেওড়াতলা মাঠে পরিচালিত অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ১০ বোতল ভারতীয় মদ, ৪০০ পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট এবং ৪০০ পিস সিপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য (দুই লক্ষ পঞ্চান্ন হাজার) টাকা।
পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) সকালের দিকে চল্লিশপাড়া বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার চল্লিশপাড়া মাঠে পরিচালিত অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ০৯ বোতল ভারতীয় মদ, ৯৯০ পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট, ৫০০ পিস সিপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট এবং ২৮৫ প্যাকেট পাতার বিড়ি উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য (চার লক্ষ ছিয়াত্তর হাজার একশত পঁচাত্তর) টাকা। একই তারিখ রামকৃষ্ণপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মোহাম্মাদপুর কলাবাগান মাঠে পরিচালিত অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ১.৩ কেজি ভারতীয় গাঁজা, ৯৬০ পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট এবং ১,৫০০ পিস সিপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য (সাত লক্ষ বিয়াল্লিশ হাজার পাঁচশত পঞ্চাশ) টাকা।
একই তারিখ আশ্রায়ন বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার পুরাতন ঠোটারপাড়া মাঠে পরিচালিত অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ১,০০০ পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট, ১,০০০ পিস সিপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট এবং ১২০ প্যাকেট পাতার বিড়ি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য ছয় লক্ষ ছয় হাজার ছয়শ টাকা।
উদ্ধারকৃত সকল মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানি মালামাল যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদক পাচার প্রতিরোধে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিজিবি ভবিষ্যতেও একই দৃঢ়তা, পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাবে।




