শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
বেলকুচিতে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ
প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সিরাজগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে ২ হাজার চারা বিতরণ
পঞ্চগড় সদরে মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত-১,গুরুতর আহত ২
সংবাদ প্রকাশের জেরে হুমকি,নিরাপত্তা চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা সাংবাদিক শরীফুল ইসলাম ইন্নার
সিরাজগঞ্জে হোসেনপুর রানার্স ক্লাবের আয়োজনে জমজমাট আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল প্রীতি ফুটবল ম্যাচ
মৃত্যুর ৫১ বছর পরও অবিস্মরণীয় সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ
সিরাজগঞ্জের রায়পুরে রেল জংশন প্রতিষ্ঠার দাবিতে মানববন্ধন
হাতিরঝিলে পরিচ্ছন্নতা অভিযান: গ্রীন ও ক্লিন ঢাকার বার্তা দিল রাজউক জাতীয়তাবাদী শ্রমিক-কর্মচারী দল
কাজিপুরে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত
সিরাজগঞ্জে ধুকুরিয়াবেড়াকে রোল মডেল ইউনিয়ন গড়ার প্রতিশ্রুতি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নূর আলমের

গণভোট আইন প্রণয়ন জরুরি,তাহলে ইসির দায়বদ্ধতা নিশ্চিত হবে : সিইসি

Download Photocard

ঢাকা : প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ. এম. এম. নাসির উদ্দিন বলেছেন, রেফারেন্ডাম (গণভোট) পরিচালনার জন্য একটি স্পষ্ট আইন প্রণয়ন জরুরি।

তিনি বলেন, কীভাবে গণভোট হবে—সেই আইনটা আগে হওয়া দরকার। আইন হলে তখন আমাদের একটা দায়বদ্ধতা আসবে।

 বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত চতুর্থ দিনের দ্বিতীয় সেশনের সংলাপে সভাপতির বক্তব্যে সিইসি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সকালে বহু বক্তা গণভোট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কিন্তু আইন ছাড়া গণভোটের পদ্ধতি, ব্যালট, ব্যালট বাক্স বা যাবতীয় কাঠামো নিয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব নয়। 

তিনি উল্লেখ করেন, রেফারেন্ডাম আইন এর আগে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ করেছিলেন, এখন আবার আইন প্রণয়ন প্রয়োজন। আইন হওয়ার পর ইসি এ বিষয়ে অনুশীলন ও প্রস্তুতি শুরু করবে।

পাকিস্তান আমল থেকে নির্বাচন দেখে আসার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে সিইসি বলেন, দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতাকে বিবেচনায় নিয়েই অগ্রসর হতে হবে। 

তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক বাস্তবতার হিট ওয়েভটা আমাকে ফিল করতে হয়। সামাজিক বাস্তবতাও সেরকম। 

তাই কম কথা, কাজ বেশি—এই নীতিতে আমরা এগোচ্ছি।

স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে সিসিটিভি ও সাংবাদিকদের স্বাধীন উপস্থিতিকে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি বলেন, গুড অবজারভার থাকলে, ভালো সাংবাদিকদের জন্য উন্মুক্ত রাখলে স্বচ্ছতা বাড়বে। লুকিয়ে নির্বাচন করতে চাই না। সাংবাদিকদের ক্যামেরা থাকবে, আমাদের সিসিটিভি ক্যামেরা থাকবে। আমরা স্বচ্ছতা চাই।

তিনি আরও বলেন, ইসি ন্যায়নীতি, আইন ও বিধি বিষয়ে কোনো আপসে যাবে না। নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনে কমিশন অটল থাকবে। এজন্য রাজনৈতিক দল, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং ভোটারদের সহযোগিতা প্রয়োজন।

দুপুরের সেশনে বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি), নাগরিক ঐক্য, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি) এবং বাসদ মার্কসবাদী (নতুন দল)-এর সঙ্গে ইসির সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। 

সকালে অংশ নেয় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ মাইনোরিটি জনতা পার্টি, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), গণসংহতি আন্দোলন, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) এবং বাংলাদেশ লেবার পার্টি।

এর আগে ১৩, ১৬ ও ১৭ নভেম্বর দুই সেশনে ১২টি করে মোট ৩৬টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০