ফটোকার্ড
সিরাজগঞ্জ সংবাদ প্রতিবেদক:
আমি আরিফুল ইসলাম সুমন -আজ ১৯ জুন ২০২৬, শুক্রবার। আজ থেকে ঠিক ২১ বছর আগে, ১৯ জুন ২০০৫ সালে আমার শ্রদ্ধেয় বাবা, মরহুম আবু সামা (আবু) মহান আল্লাহ তাআলার ডাকে সাড়া দিয়ে আমাদের সবাইকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে না-ফেরার দেশে চলে যান। সময়ের পরিক্রমায় দুই দশকেরও বেশি সময় পার হয়ে গেছে, কিন্তু বাবার স্মৃতি আজও আমাদের হৃদয়ে ঠিক ততটাই জীবন্ত, যতটা ছিল তাঁর জীবদ্দশায়।
একজন বাবা শুধু পরিবারের অভিভাবক নন, তিনি সন্তানের জীবনের প্রথম শিক্ষক, প্রথম বন্ধু এবং সবচেয়ে বড় আশ্রয়স্থল। আমার বাবাও ছিলেন তেমনই একজন স্নেহশীল, পরোপকারী ও আদর্শবান মানুষ। তাঁর স্নেহ, মমতা, ভালোবাসা, সততা ও ত্যাগের শিক্ষা আজও আমাদের জীবন চলার পথে শক্তি ও প্রেরণা জোগায়। জীবনের নানা সংকট ও গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে বাবার কথা খুব বেশি মনে পড়ে। তখন অনুভব করি, বাবা হারানোর বেদনা কখনোই পুরোনো হয় না।
বাবার মৃত্যুর ২১ বছর পরও তাঁর শূন্যতা প্রতিটি দিন, প্রতিটি মুহূর্তে অনুভব করি। পরিবারের সুখ-দুঃখের প্রতিটি ঘটনায় মনে হয়, যদি বাবা আজ আমাদের মাঝে থাকতেন! তাঁর উপদেশ, হাসিমাখা মুখ এবং স্নেহভরা কথাগুলো আজও হৃদয়ের গভীরে গেঁথে আছে। পৃথিবীর কোনো সম্পদ বা অর্জনই একজন বাবার অভাব পূরণ করতে পারে না।
আজ তাঁর ২১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সঙ্গে তাঁকে স্মরণ করছি। মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে কায়মনোবাক্যে দোয়া করি, তিনি যেন আমার বাবার জীবনের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেন, তাঁর কবরকে জান্নাতের বাগিচাসমূহের একটি বাগিচায় পরিণত করেন, কবরের আজাব থেকে হেফাজত করেন এবং তাঁকে জান্নাতুল ফিরদাউসের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করেন।
এ উপলক্ষে সকল আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, শুভাকাঙ্ক্ষী ও দেশবাসীর নিকট বিনীতভাবে দোয়া কামনা করছি। আপনারা সবাই আমার প্রিয় বাবার রুহের মাগফিরাতের জন্য দোয়া করবেন।
“বাবা, তুমি কেমন আছো ছোট্ট মাটির ঘরে? তোমার স্মৃতি আজও আমাদের চোখ ভিজিয়ে দেয়। মহান আল্লাহ তোমাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন। আমিন।”






