শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
সিরাজগঞ্জে সেবা মুক্ত স্কাউট গ্রুপের সেলাই মেশিন বিতরণ
রায়পুর রেল জংশনের দাবিতে জনমত গঠন ও করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
সিরাজগঞ্জে লেনদেন সংক্রান্ত জেরে ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যু !
বেলকুচিতে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ
প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সিরাজগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে ২ হাজার চারা বিতরণ
পঞ্চগড় সদরে মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত-১,গুরুতর আহত ২
সংবাদ প্রকাশের জেরে হুমকি,নিরাপত্তা চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা সাংবাদিক শরীফুল ইসলাম ইন্নার
সিরাজগঞ্জে হোসেনপুর রানার্স ক্লাবের আয়োজনে জমজমাট আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল প্রীতি ফুটবল ম্যাচ
মৃত্যুর ৫১ বছর পরও অবিস্মরণীয় সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ
সিরাজগঞ্জের রায়পুরে রেল জংশন প্রতিষ্ঠার দাবিতে মানববন্ধন

“রুচীশীল রাজনীতি,গণঅভ্যুত্থান অতঃপর স্বাধীনতা” – দন্ত্য-স রানা

ফটোকার্ড

রুচীশীলতার ভীন্নতা থাকতেই পারে। এই যেমন কেউ বড় মাছ পছন্দ করেন কেউ ছোট মাছ। কেউ বোয়াল কেউ বা পাংগাস। আবার কেউ শিং ইলিশ কিংবা চিতল চিংড়ি ইত্যাদি পছন্দ করতেই পারে।
রুচীশীলতার ভীষয়টা অনেকটা সামাজিক এবং পারিবারিক স্তর বিন্যাসের উপরনির্ভর করে না। যেমন নিম্নবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত, মধ্যেবিত্ত এবং উচ্চবিত্তের রুচীশীলতা এক এক রকম হবে বিষয়টা কিন্তু সে রকম নয় । সেটা খাবার, পোষাক-আশাক এমনকি চিন্তা চেতনায়েও।
পোষাক পরিচ্ছেদের বিষয়টা সম্পূর্ন পারিবারিক চর্চা। সামাজিক দৃশ্যপট এবং ধর্মীয় সংস্কৃতিও এ বিষয়ে বেশ প্রভাব ফেলে।
আবার অশিক্ষিত, আধা শিক্ষিত কিংবা উচ্চ শিক্ষিত এই শ্রেনীর তারতম্যর কারনেও ধর্মীয় সাংস্কৃতি অনেকাংশে পোষাক আশাক এবং চিন্তা চেতনায় বেশ তফাৎ লক্ষ করা যায়।

আমরা যারা শিক্ষিত কিংবা অতি উদারমনা শিক্ষিত সমাজের মানুষ হিসেবে পরিচয় দেই, তখন আমারা অনেক ক্ষেত্রে ধর্মের উর্ধ্বে উঠতে দ্বিধা করি না (শরিয়া নিতীর ক্ষেত্রে) । বৈশ্বিক সামাজিক জীব হিসেবে নিজেকে মূল্যায়ন করি।
সেক্ষেত্রে আধুনিকতার সংস্পর্শ পেয়ে যেটা ধর্মের মূল সেখান থেকে বের হতে কিছু পথ খুজি। এটাও সত্যি, প্রতিটি ধর্মের বিস্তার তথা গৌরবদীপ্ত প্রচার রোধে এমন কিছু স্পর্শকাতর বিষয় বিশ্বব্যাপী শত শত বছর যাবৎ ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে যে আপন ভাইকে কখনো কখনো যেমন সবচেয়ে ভয়ংকর শত্রু বলে পরিগণিত হয় তেমনি ধর্মের অনুশাসনো তেমন আমাদের মনঃস্থাত্বিক চাওয়া পাওয়ার বাধা হিসেবে উপলব্ধি হয়।

সেই অবস্থানকে একটা রিজার্ভ অবস্থা বা কুসংস্কার বিবেচনায় এনে আমাদের ধর্মের পরিপন্থী হাজারো বে-হক যুক্তি এবং আইনকে সঠিক বলে ধরে নিয়ে সমাজের স্বাভাবিক এবং ধর্মের সহজ সরল পথ থেকে যোজন যোজন দূরে চলে আসি।

প্রতিটি ধর্মের ই লজ্জা এবং ব্যক্তিগত কিছু হেফাজতের কথা বলা আছে। একটি ছেলে যেমন জন্মগতভাবে নির্মল পবিত্র ঠিক একটি মেয়ের জন্য তাই, তা পবিত্র এবং সুন্দর। শুধূ দৈহিক সৌন্দর্য মুখ্য বিষয় নয়, মানবিক সৌন্দর্য্য ও যুক্ত।

এই নিষ্পাপ সৌন্দর্য ধারন করতে আমাদের আদিমতা থেকে আধুনিকতায় আগমন। অথচ বৈশ্বিক সাম্রাজ্যবাদ, পুঁজিবাদ ভোগবাদ, এমনকিও ফ্যসিজম আমাদের সরল সুন্দর চোখে এমন এক চশমা পড়িয়ে দিয়েছে যে, নিজের সেই স্বতন্র বৈশিষ্ট্য থেকে আমরা এক অন্ধকার জগতে ধাবিত হচ্ছি! তথা আদিমতার উৎসমুলে আইয়্যলেমি জাহেলিয়াতের দিকে যাচ্ছি। কিন্তু এসব নোংরামি যেমন আমাদের খুব সুন্দর একটা আত্নার যেমন মৃত্যু ঘটাচ্ছে, ঠিক তেমনি পারিবারিক সামাজিক, ধর্মীয় সংস্কৃতি তথা একটি দেশের কৃষ্টিকালচার থেকেও সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
রুচীশীলতার সংজ্ঞা প্রতিটি মানুষের জীবনে আলাদা। তবে সামগ্রিকভাবে এর একটা সজ্ঞা আছে। ধরে নিলাম প্রগতিশীল হিসেবে যেটা আমার মনের আয়নায় স্বস্তির উদ্রেক করে সেটাই আমার রুচীশীলতা। সেটা আমার খাওয়া পড়া, কথা বর্তা, চাল চলন এমনকি পোষাক আশাকের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

আচ্ছা এখন ধরুন একজন তার পরিবারে বসে খাবার খাচ্ছে, খাবার টেবিলে চিংড়ি মাছ। সেখানে সে চিংড়ি মাছ পছন্দ করে না, এমন না, কিন্তু চিংড়ি খেলে তার শারীরিক সমস্যা হয়। তাহলে তার জন্য বিকল্প হচ্ছে ডিম কিংবা অন্য কিছু। বিষয়টা আপেক্ষিক।
আবার এমন হতেই পারে সে চিংড়ি পছন্দ ই করে না। তাহলে তাকে তার পছন্দের খাবার দিতে হবে। আর সেটা কি হবে তা নির্ভর করে সেই পরিবারে স্তরবিন্যাবের উপর। যা উপরেই উল্লেখ করেছি।

কিন্তু এই খাওয়ার বিষয়টা যদি কোন পাবলিক হোটেল কিংবা রেস্তরাঁতে হয় তবে পদের ভিন্নতা কারনে তার সুপ্ত পছন্দের মেনু পেতেই পারে। যেখানে কোন বাধ্যবাধকতা নেই। একই বিষয়ের শুধু পরিবেশের ভীন্নতার কারনে আমাদের কিছু নিষেধাজ্ঞা overcome করবার সুযোগ তৈরী করে দেয়। সেখানে সে গরু, শুয়োর, সাপ, ব্যাঙ, কচ্ছপ কিংবা অন্য কিছু পেতেই পারে। এটাকেই বলে সামগ্রিক মুক্ত অর্থনীতি। কেননা এই পরিবেশ পর্যটন অর্থনীতির ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য। যা বর্তমানে বিশ্ব বানিজ্যের একটা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমি পর্যটক শিল্পকে যে কোন দেশের ভবিষ্যত অর্থনীতির এক সম্ভাব্য খাত হিসেবেই দেখি।

রুচীশীলতার বিষয় যদিও ব্যক্তিগত এবং সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র একটি বিষয়, তথাপি কিছু প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দেশের আইন ধর্ম এবং সংস্কৃতির বেড়াজালে তাকে আবদ্ধ থাকতে হয়। এটাই নিয়ম। প্রতিটি দেশের ভাবগত, এবং ভৌগোলিক ও ধর্মীয় বিবেচ্য বিষয়কে কেন্দ্র করেও এর আনুষ্ঠানিক এবং অনানুষ্ঠানিক স্বীকৃতি মেলে।

আপনি যখন নাগরিক হিসেবে কোন দেশের মৌলিক অধিকার ও আইনের অধীন তখন আপনি ইচ্ছে করলেই এমন কিছুই করতে পারেন না, যা আপানার ধর্মীয় সংস্কৃতিতে আঘাত হানে এবং সামাজিক পারিবারিক কাঠামোতে তার ব্যপক প্রভাব পরবার সম্ভবনা বা ঝুকি তৈরী করে।

ধর্মীয় নিরপেক্ষতা শব্দটি একটি ভেক টার্ম। পৃথিবীর কোন দেশ-ই আসলে ধর্মীয় নীরেপেক্ষ নয়। উদাহরন দিয়ে কেউ দেখাতে পারবেন না। এই দেশটি ১০০% ধর্মীয় নীরেপেক্ষ।
আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, পাকিস্তান আফগানিস্তান, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান, চীন, জার্মান, জাপান, আমেরিকা, ইংল্যান্ড কিংবা বেশীর ভাগ দেশই এমন। ভ্যটিকান সিটি তো একটি স্বাধীন শতভাগ ধর্মীয় দেশ।

হা এটা অনস্বীকার্য যে সব দেশেই বিভিন্ন ধর্মের এবং গোত্রের মানুষ সহাবস্থান বাস করে, তথাপি ধর্মীয় নীরেপেক্ষ কোন দেশ হয় না।

‘মৌলবাদ’ শব্দটা নিরপেক্ষ শব্দ। যে কোন দেশের ধর্মীয় বিস্তার ই মৌলবাদ। তবে যদি ধর্মের নামে অন্যকোন ধর্মের মানুষের সাধারন জীবন যাপন তথা চিন্তা চেতনার পথে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ যদি নিপীড়ন করে তবে তা ধর্মীয় অগ্রাসন তথা মৌলবাদী বা জঙ্গিবাদী হিসেবে বিবেচিত হবে।

কিন্তু এই জঙ্গিবাদী শব্দটা শুধু মুসলিমের সাথে কেনো? , ইহুদী, ক্যাথলিক খৃষ্টান, সনাতন হিন্দু, বৌদ্ধ, অন্য যে কোন ধর্মের ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য। অথচ আমাদের এই মুসলমানদের বিস্তার রোদে শুধু আজ নয়, যখন আইয়্যলেমি জাহেলিয়াতির অন্ধকারে সমুস্ত মানব সমাজ ভূলুণ্ঠিত হচ্ছিল তখন আলোর দিশারী, কান্ডারী, হিসেবে মানবতার মুক্তির দূত হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আগমন।
সেই তখন থেকেই এই পৃথিবীতে মুসলমানদের বিস্তার, গৌরবদীপ্ত সুমহান সরল সুন্দর পথে মুসলিম হিসেবে দলে দলে যোগদান, এক আল্লাহর সাম্রাজ্যের আলো সাহারা থেকে ভারত মহাসাগরে দীপ্তি ছড়াচ্ছিল।
ঠিক তখন থেকেই বাধা হিসেবে বিভিন্ন জাতি, গোষ্ঠী, হিংসা প্রতিহিংসার আগুন জ্বালিয়ে রেখেছে । তারা তাদের কুটনৈতিক কৌশল হিসেবে যেমন ব্যবহার করেছে অর্থ, তেমনি ব্যাবহার করেছে নারী। গোয়েন্দা গিরি করে মুসলমানদের মূল দুর্বলতা খুজেঁ বের করেছে। সেই সব বিষয়ে তাদের অগ্রাসন ছিল অত্যন্ত চতুর। ক্ষমতার দন্ধ, অর্থের প্রতি লোভ, মোহ, আমোদ প্রমোদ আর নারীর প্রতি কামনার লিপ্সা তাদেরকে বার বার পথ বিচ্যুত করেছে। খুব সহজ আর সরল উপায় হিসেবে তারা আমাদের ই ধর্ম কাজে লাগিয়েছে। ধর্মের ভেতর বিভাজন, বহুমাত্রিক পথ, হাদিসের অপব্যবহার এবং অপব্যাখ্যা এবং গ্লোভাইল্ইজেশন এই unipolar যুগে মিডিয়া সন্ত্রাস আমাদের আরো বিভাজিত করার মোক্ষম সুযোগ কাজে লাগিয়েছে।

স্বাধীনতা মানুষকে মুক্তি দেয়! কোন স্বাধীনতা? ব্যাক্তিগত! সামাজিক, পারিবারিক, না দেশের সার্বভৌমত্বের স্বাধীনতা।
একজন রাস্ট্রের স্বাধীনতা অর্জন করলেই কি সে নিজেকে স্বাধীন ভাবতে পারে, বা এই ভাবনার সুযোগ আদৌ আছে? আমার প্রশ্ন।

খুব ছোট বেলায় তখন ১৯৯৬-৯৭। দেখতাম প্রতিটি পরিবারের একজন মুরব্বী থাকে তার আদেশ নিষেধের বাইরে কোন কাজ ই করা যাইবে না। অথবা সমাজের যে প্রধান তার অনুমতি ব্যতিত কোন কাজ করাও অপরাধ? এখন আমি তো স্বাধীন দেশের নাগরিক। তাহলে আমার পরিবার এবং সমাজে আমি কতটুকুন স্বাধীন ছিলাম । তাছাড়া এমন আহরহ ঘটনা সেই সমাজে মানুষ করছে যা কেবল লোক লজ্জার ভয়ে কখনো মুখ ফুটে বলতে পারে নি। তাহলে কি স্বাধীনতা ছিলনা?
অবশ্যই স্বাধীনতা ছিলো। সেই সকল কাজ যা পরিবার, সমাজ, এবং দেশের আইনের পরিপন্থী অথবা ধর্মের বিরুদ্ধে যেতো এমন কোন কথা সমাজে অবশ্যই নিষিদ্ধ ছিল। বড়দের সম্মান, ছোটদের স্নেহ, শিক্ষকদের প্রতি অপরিসীম শ্রদ্ধা সেই সমাজে বিদ্যমান ছিল। যা বর্তমান পারিবারিক এবং সামাজিক কাঠামোতে বিরল। এখন এখানেই স্বাধীনতার প্রশ্ন? আধুনিকতার নামে যে স্বাধীনতা এবং রুচীশীলতার বুলি আজ আমরা আউরাই আসলে আদতে তা আমাদের সংস্কৃতি নয় বরং অপসংস্কৃতি। এখানেই সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী নিজেদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে এক ভ্রান্ত পথে এগিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু তাদের মোটেই তা বোধগম্য হচ্ছে না।

আমার টপিক রুচীশীলতা থেকে অনেক ডালপালা গজিয়ে অনেক পথে হাঁটছে। আসল সমাজ ব্যবস্থা ই এরকম। আপনি প্রতিটি বিষয়ের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

হা যে রুচীশীলতা নিয়ে আজ লিখতে বসেছি তার জবনিকা টানতে হবে। একটি মুসলিম অধ্যুষিত দেশে যতই বামপন্তি আর ডানপন্থরা সামগ্রিক স্বাধীনতার কথা বলে হোক সেটা পোশাক, খাবার, মুক্ত চিন্তা, কিংবা শিক্ষার ক্ষেত্রে সামষ্টিক শিক্ষা তা কি করে বাস্তবায়ন সম্ভব। কট্টর ইহুদী রাষ্ট্রের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড সমগ্র বিশ্বের কাছে কতটা স্বাধীন সহনশীলতার উদাহরন, সেটা সমুস্ত মানবিক মানুষদের একবার হলেও ভাবতে হবে।
এই দেশ আমার, এই দেশের অতীত সংস্কৃতি আমার অহংকার। সেখানে কাওকেই ছোট করে নয়, যারা দেশে স্বাধীনতা উত্তর অদ্যবদি বসবাস করে আসছেন হয়ত ধর্মের কারনে সংখ্যায় কম (আমি সংখ্যালঘু শব্দটা ব্যবহার করি না, কারন তারাও এদেশের জনগন, সকল মোলিক অধিকার তাদের প্রাপ্য) তাদের এটা বিশ্বাস করতে হবে যে যা সুন্দর তা সবসময় ই সুন্দর, শুধু দৃষ্টিভঙ্গির ভিন্নতার কারনে অনেক সময় সে সকল জিনিষ, বিষয় আলাদা হয়ে দেখা দেয়। যে খাবার, পোষাক, কিংবা চিন্তা এবং শিক্ষা কাঠামো আমাদের সামষ্টিক জনগনের সাথে সাংঘর্ষিক তা অবশ্যই বর্জনীয়। এই দেশের মানুষ, সাধারন জনগন যে বিশ্বাস বহু শতাব্দী ধরে লালন করে আসছে, শুধু রাজনৈতিক স্বার্থ সিদ্ধির জন্য কখনোই তা বিক্রি বা নিঃশ্বেষ করা যাবে না, হবেও না। আমাদের নিজেদের ধর্মীয় ও সংস্কৃতি দিয়ে এ দেশ বিনির্মাণ এখন সময়ের দাবি।
অতুল সত্যের সংস্পর্শে যে একবার আসে সে কখনোই ভ্রান্ত পথ, কিংবা ভ্রান্ত মতের পথে দাবিত হয় না। অন্যায় কে যে ন্যায় বলে না, মিথ্যা কেবল এবং কখনোই সত্যি নয়, ভালো অবশ্যই ভালো, এমন কাজ যা দৃষ্টি কটু, যা যেকোন দিক থেকেই দেখা হোক না কেনো, মানবিক গুধাবলি যার মহত্ব, রুচীশীল তো সেই।

এখন সময়কে বুঝতে হবে, আমাদের বিগত অর্থনীতি, রাজনীতি, পররাষ্ট্রনীতি, এবং উন্নয়নের সকল প্রতিবন্ধকতা থেকে বের। হয়ে আসতে হবে। এইতো সময় একটি সুষ্ঠু সুন্দর দেশ বিনির্মাণে সহজ এবং সরল পথ তৈরীতে রুচীশীল রাজনীতি করার । সমষ্টিগত জনগন কোন রাজনীতি বুঝে না, তারা এতটুকু ভালো থাকতে চায়, যেন তিনবেলা পুষ্টিকর খাবার, রাতে নিরাপদ ঘুম, নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন, স্বাস্থ্য এবং সামাজিক নিরাপত্তা এবং বিশ্বের সাথে টেক্কা দেওয়ার মত একটি সবল অর্থনীতি। এমন রুচীশীল রাজনীতি যেই করুক তাদের সাথে বর্তমান জনগন একত্বতা ঘোষনা করে আগামীর পথ চলবে। ইনশাআল্লাহ।

দন্ত্য-স রানা (ছদ্মনাম)

মোঃ সোহেল রানা (মুক্ত গবেষক)

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০