মোঃ হোসেন আলী (ছোট্র) :
সুকান্ত সেন এর ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী চলে যাওয়ার ৫ বছরেও ভোলেনি সিরাজগঞ্জবাসী, সাংবাদিক সুকান্ত সেনকে আজও হৃদয়ে অনুভব করে।
আরটিভির স্টাফ রিপোর্টার ও সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক নেতা প্রিয় মুখ সুকান্ত সেন দাদার ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী।২০২০ সালের এই দিনের ভোর ৫টা ৪৬ মিনিটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সন্তান,সহধর্মিনী,গণমাধ্যম সহকর্মী এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী মানুষের অশ্রুভেজা বিদায় নিয়ে পৃথিবী থেকে চিরবিদায় নেন তিনি। সুকান্ত সেন শুধু একজন সাংবাদিকই নন তিনি ছিলেন সিরাজগঞ্জের গণমাধ্যম অঙ্গনের প্রাণ। সত্য ও ন্যায়ের কথা বলতে তিনি কখনো দ্বিধা করেননি।খবরের পিছনে তাঁর ছুটে চলা মানুষের কষ্ট বুঝে তাদের কথা তুলে ধরার দায়বদ্ধতা এবং পেশার প্রতি অপরিসীম নিষ্ঠা সবই তাকে আলাদা মর্যাদা দিয়েছে।তাঁর হাসিমাখা মুখ সহজ-সরল ব্যবহার আর মানবিক চরিত্র আজও যারা কাছ থেকে তাঁকে চিনতেন তাদের হৃদয়ে রয়ে গেছে গভীর আবেগের স্মৃতি হয়ে। অনেক সম্মানিত সহকর্মীরা বলেন,সুকান্ত সেনের অনুপস্থিতি আজও সংবাদঘরে শূন্যতা তৈরি করে।তিনি ছিলেন সবার আস্থার জায়গা উদ্বেগের সময়ে সাহস দেওয়ার মানুষ।সমাজের সাধারণ মানুষের কাছে তিনি ছিলেন নির্ভরতার প্রতীক আর বন্ধুদের কাছে ছিলেন হাসি আনন্দের ঠিকানা।মৃত্যুর পাঁচ বছর পরও পরিবারের সদস্যদের চোখে পানি আসে তাঁর নাম শুনলেই।সন্তানদের কাছে তিনি আজও পথপ্রদর্শক। প্রতিটি স্মৃতিতে জড়িয়ে আছে তার স্নেহ দায়িত্ববোধ আর নিঃস্বার্থ ভালোবাসা।স্মৃতির পাতায় তিনি আজও উজ্জ্বল।সিরাজগঞ্জের মানুষ এখনো অনুভব করে সুকান্ত সেনের মতো মানুষ আসলে কখনো সত্যি চলে যায় না সময়ের বুকেই তিনি রেখে গেছেন অমলিন ছাপ।






