নিজস্ব প্রতিবেদক : আমরা কোন হত্যাই পছন্দ করি না। সকল হত্যার বিচার হউক। দোষীরা শাস্তি পাক। ১৯৭৫ সালে শেখ মুজিবর রহমানকে হত্যা করার পর লাশ নেওয়ার কোন লোক ছিল না। তার জানাযায় ২৫ জন মানুষ হয়েছিল। ১৯৮১ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম চট্টগ্রামে নিহত পর দেশের আলেম-ওলামা সহ দেশের মানুষ ১মাস শোক পালন করেছিল। জানাযা নামাজে লাখ লাখ মানুষ অংশগ্রহন করেছিল। দেশের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত পর্যন্ত হাজার হাজার গায়েবী জানাযা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এগুলো সবই করেছিল আলেম-ওলামারা। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম দেশের আলেম-ওলামাদের খুবই ভালবাসতেন। মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, আধুলিক বাংলাদেশের রুপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দল গঠন করেছিলেন। রাষ্ট্র সবার ধর্ম পালন করতে নির্বিঘ্নে নিরাপত্তা দিবে। আমরা অন্য ধর্ম পালন করতে বাঁধা দিব না, আবার অন্যরা আমাদের ধর্ম পালন করতে বাঁধা দিবে না। আজ যারা মুসলিম হয়ে হিন্দুদের জান্নাতের টিকিট বিক্রি করতে ইসলামকে ব্যবহার করে হিন্দু শাখা খুলছে, তারা মুসলিম নয়। তারা মুনাফিক।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের ৪৬ তম প্রতিষ্ঠাতা বার্ষিকীতে আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব এ্যাড. কাজী মাওলানা মো: আবুল হোসেন একথাগুলো বলেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দল সিরাজগঞ্জ শাখার আহবায়ক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হাফেজ মাওলানা মো: আব্দুর রাজ্জাক এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সাংসদ, সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি রুমানা মাহমুদ।
তিনি বলেন, ভোট দিলে পাল্লায়, পাবে আল্লায় পাবে’ ইহা বলা শিরক। আর শিরককারীকে মহান রব্বুল আলামিন ক্ষমা করে না। নামাজ, রোজা বা ইবাদত তার নিজের, এর মাধ্যমেই আল্লাহর সন্তুষ্টি পাওয়া যায়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে একটি দল জান্নাতের টিকিট বিক্রি শুরু করছে। জান্নাত কে পাবে, তা মহান আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না। সাধারন জনগনকে বুঝিয়ে জান্নাতের টিকিট বিক্রিকারীদের থেকে দুরে রাখতে ওলামাদলের নেতাকর্মীদের কাজ করতে হবে। ওলামা দল যেকথা বলে, তারা সেই কাজ করিয়ে দেখিয়ে দেয়। ওলামাদলের মধ্য কোন দুর্নীতি নেই। সমালোচনার মাধ্যমে জান্নাতের টিকিট বিক্রি করা দলকে প্রতিহত করতে বিএনপির এখন বেশি প্রয়োজন ওলামা দল।
(৪ অক্টোবর ২০২৫), শনিবার সকাল ১০টায় সিরাজগঞ্জ পৌর ভাসানী মিলনায়তন সবুজ চত্ত্বরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দল সিরাজগঞ্জ শাখার আয়োজনে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, আধুলিক বাংলাদেশের রুপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাতা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও র্যালী অনুষ্ঠিত হয়।
বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চুৃ।
জাতীয়তাবাদী ওলামা দল সিরাজগঞ্জ শাখার সদস্য সচিব হাফেজ মাওলানা মো: নুরনবী হোসাইনী পরিচালনায় বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী ওলামা দল কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, জাতীয়তাবাদী ওলামা দল রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক টিমের সদস্য ও সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ দফতর সম্পাদক সাংবাদিক এনামুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক কাজী মাওলানা মো: আলমগীর হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক মাওলানা মো: দেলোয়ার হোসেন, সিনিয়র সদস্য কাজী মাওলানা মো: মশিউর রহমান রহমান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দল সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার যুগ্ম আহবায়ক হাফেজ মা: জুবায়ের আহম্মেদ, যুগ্ম আহবাশক লেনিল প্রমুখ।
আলোচনা সভা ও র্যালীতে যোগ দিতে সিরাজগঞ্জ জেলা ওলামা দল, সদর উপজেলা ওলামা দল, কাজিপুর, শাহজাদপুর, রায়গঞ্জ, এনায়পতপুর থানা, তাড়াশ উপজেলা, উল্লাপাড়া সহ ওলামাদলের নেতৃবৃন্দ খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশে যোগদান করে। আলোচনা সভা শেষে র্যালী অনুষ্ঠিত হয়। র্যালিটি ভাসানী মিলনায়তন থেকে শুরু করে এসএস রোড হয়ে বাজার স্টেশনের স্বাধীনতা স্কয়ারে এসে শেষ হয়।






