সিরাজগঞ্জ সংবাদ প্রতিবেদক :
আমাদের এন্ড্রু কিশোর। আমি বলি গলিত সোনার নহর। তিনি দৈহিক ভাবে কত বছর হয় চলে গেছেন আমি তা গুনি না। ভাবতেই ভালো লাগে না যে তিনি নেই। তাঁর গান আকাশ, বাতাস, পাতাল, নদী, সাগরে ভাসে।
আমার তো মনে হয় পৃথিবীর আনাচে কানাচে যেখানেই বাংলা ভাষাভাষী আছেন সেখানেই প্রতি সেকেন্ডেই কারো না কারো কাছে তাঁর গান বাজে, কেউ গায়, কেউ গুনগুন করে, কেউ শেখার চেষ্টা করে, কেউ তাঁকে, কেউ তাঁর গান, তাঁর কণ্ঠ নিয়ে গবেষণা করে।
আমি ভাবতেই চাই না তিনি নেই, তবুও আমি মানুষ! তাঁর অনুপস্থিতি আমাকে বিষন্ন করে। হঠাৎ আনমনা হয়ে ভাবি একদিন ওনাকে মজার রান্না করে খাওয়াবো, পরক্ষণেই সম্বিত ফিরে পাই, বাস্তবে ফিরে এসে বুঝি তিনি নেই এবং কী হারালাম!
আবারও বলি আমাদের একজন কিশোরদা ছিলেন যিনি আমাদের অনেক দিয়েছেন কিন্তু আমরা কি তাঁকে সঠিক সম্মান দিয়েছি? স্টেডিয়ামে বিশাল করে একটা এন্ড্রু কিশোর নাইট করে রাতভর তার গান পেটভরে, হৃদয় ভরে শুনেছি????? এখন কোটি বার উচ্চারণ হয় “বড্ড অপূরনীয় ক্ষতি” হয়ে গেলো! তাতে তাঁর আর কিছুই আসে যায় না। যায় কি?
মৃত মানুষের জন্মদিনের কোন অর্থ হয়না তবু্ও বলতে বড় ইচ্ছে হয়
শুভ জন্মদিন কিশোর দা…






