মো: ছাম্মি আহমেদ আজমীর : সুপ্রীম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন ১৯ জন আইনজীবী।গত বুধবার ১২ নভেম্বর এই বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে সুপ্রীম কোর্ট প্রশাসন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় প্রধান বিচারপতির সভাপতিত্বে এনরোলমেন্ট কমিটির ১১ নভেম্বর সভায় সদস্যদের সতন্ত্র মতামতের ভিত্তিতে ১৯ জন আইনজীবীকে আপিল বিভাগের সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এই তালিকায় রয়েছেন,তৈমুর আলম খন্দকার,মোহাম্মদ শিশির মনির,ড.শাহদীন মালিক,মো.কায়সার কামালসহ সিরাজগঞ্জের গর্ব, তরুণ ও মেধাবী আইনজীবী অ্যাডভোকেট অরবিন্দ কুমার রায় (আনন্দ) । এই অর্জনের মাধ্যমে তিনি কেবল নিজের নয়, প্রিয় সিরাজগঞ্জ জেলা বাসীর মুখ উজ্জ্বল করেছেন। সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা অরবিন্দ রায় (আনন্দ) তার নিষ্ঠা, অধ্যবসায়, সততা ও ন্যায়বোধের মাধ্যমে অল্প সময়েই আইন পেশায় সাফল্যের স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হন। শিক্ষাজীবনে সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে তিনি দেশের সর্বোচ্চ আদালতে আইনচর্চার ক্ষেত্রে এই অনন্য সন্মান অর্জন করেছেন যা নিঃসন্দেহে গৌরবের । তার এই সাফল্যে তার সহকর্মী, বন্ধু , শুভানুদধায়ীসহ সকলেই অতিশয় আনন্দ প্রকাশ করেছেন। সিরাজগঞ্জ জজ কোর্টের প্রতিথযসা ও বরিষ্ঠ আইনজীবী ও কালিবাড়ী গোবিন্দ বাড়ি ও ধর্মসভা মন্দির কমিটির সুযোগ্য সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রনজিত কুমার মন্ডল স্বপন বলেন, সিরাজগঞ্জের কৃতি সন্তান অ্যাডভোকেট অরবিন্দ কুমার রায় (আনন্দ) ভবিষ্যতে দেশের বিচারব্যবস্থায় ন্যায় ও মানবতার আলোকবর্তিকা হয়ে উঠবেন। তিনি একজন মেধাবী আইনজীবী। তার এই অর্জন আমাদের কে অনুপ্রাণিত করেছে। তিনি আরও বলেন, আমরা সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেনো তার পেশাগত দায়িত্ব তথা আইনের শাসন , মৌলিক মানবাধিকার রক্ষায় যথাযথ ভূমিকা রাখতে সমর্থ হন।
এবিষয়ে সিনিয়র অ্যাডভোকেট অরবিন্দ কুমার রায় (আনন্দ) এর কাছে জানতে চাইলে তিনি নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, আমি সর্ব প্রথমে মহান সৃষ্টিকর্তা ও আমার প্রিয় বাবা ও মাকে স্মরণ করে কৃতজ্ঞতা জানাই। এই অর্জন শুধু আমার নয়,আমার শিক্ষক,পরিবার ও প্রিয় সিরাজগঞ্জের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধার প্রতিফলন। তাদের ভালোবাসা ও আশীর্বাদই আমাকে এ পর্যন্ত এনেছে।
উল্লেখ্য : সিরাজগঞ্জের আইন অঙ্গনে তার এই সাফল্য নতুন প্রজন্মের তরুণ আইনজীবীদের জন্য প্রেরণার ও উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।






