মোঃ হোসেন আলী (ছোট্ট) : সিরাজগঞ্জে জেলা পর্যায়ে গ্রাম আদালতের কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও করণীয় শীর্ষক অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর ২০২৫) সকালের দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে শহিদ এ কে শামসুদ্দিন সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা পর্যায়ে গ্রাম আদালত সক্রিয় কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের ( ভারপ্রাপ্ত) উপ-পরিচালক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক) গনপতি রায়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ও সমন্বয় সভায় প্রেজেন্টেশন তুলে ধরেন গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্প,সিরাজগঞ্জের জেলা ব্যবস্হাপক মোঃ আব্দুল হান্নান,।
সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গ্রাম আদালতের কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও করণীয় শীর্ষক অর্ধ-বার্ষিক উপর দিকনির্দেশনা মূলক বক্তব্য রাখেন সিরাজগঞ্জে সদ্য যোগদানকৃত নবাগত জেলা প্রশাসক মোঃ আমিনুল ইসলাম। সমন্বয় সভার প্রধান অতিথি আমিনুল ইসলাম বলেন, গ্রাম আদালত হলো গ্রামীণ জনপদের সাধারণ মানুষের জন্য ন্যায়ের প্রথম আশ্রয়স্থল ও ভরসার জায়গা। আমরা যদি এই আদালতগুলোকে কার্যকর করতে না পারি, তাহলে গ্রামীণ বিচারপ্রার্থী জনগণ ভোগান্তির শিকার হবেন। একইসাথে ছোটখাটো বিরোধের নিষ্পত্তির জন্যেও তাদের জেলা আদালত পর্যন্ত দৌড়াতে হবে। এতে একদিকে যেমন মানুষের মূল্যবান সময় ও অর্থ নষ্ট হয়, তেমনিভাবে আদালতের ওপর মামলার বোঝা বৃদ্ধি পাবে। তিনি আরও বলেন, গ্রাম আদালতের কাজ শুধু বিচার করা নয়, এর মূল উদ্দেশ্য হলো স্থানীয় পর্যায়ে শান্তি, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বজায় রাখা। দ্রুত এবং সহজে আইনি সেবা পৌঁছে দিয়ে আমরা সমাজে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারি। গ্রাম আদালত যদি সক্রিয় থাকে, তাহলে অনেক পারিবারিক ও সামাজিক বিরোধ স্থানীয়ভাবেই মিটে যায়, যা গ্রামীণ জীবনকে আরও সহনশীল ও সুন্দর করে তোলে। এই কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও বেগবান করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (নেজারত শাখা, স্থানীয় সরকার শাখা, লাইব্রেরি শাখা, ফরমস ও স্টেশনারি শাখা)মোঃ আখিরুজ্জামান,সহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি অফিসের কর্মকর্তা এবং বৈষ্ণম্য বিরোধী আন্দোলনের ছাত্র প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য : ৮৩ টি ইউনিয়নের হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর (পেশকার হিসেবে দায়িত্বপালনকারী) ও গ্রাম আদালত প্রকল্পের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।






