সোমবার, ২০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিন্ডিকেট ভাঙার দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান
শাহজাদপুরে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডক্টর এম এ মুহিত
বগুড়া যাওয়ার পথে সিরাজগঞ্জে গণমানুষের ভালবাসায় সিক্ত হলেন- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সিরাজগঞ্জ-রাজশাহী রুটে জেনিন ও এসআই পরিবহন চলাচল নিয়ে-মালিক-শ্রমিকদের দ্বন্দ্ব !
ভিক্টোরিয়া হাই স্কুলের এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
পাবনা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ বিশেষ অভিযানে অস্ত্রসহ গ্রেফতার-১
ভাঙ্গুড়া উপজেলায় মাদকসেবীকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড সহ অর্থদণ্ড ভ্রাম্যমাণ আদালতের
ঈদুল আযহা সামনে রেখে সিরাজগঞ্জে মহাসড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
সিরাজগঞ্জে বাংলাদেশ স্কাউটস,রোভার অঞ্চলের সিনিয়র রোভারমেট ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত
ঈদ বাড়তি আনন্দ,বড়লেখার ১৮ বাগানের ৪,৬৬৮ শ্রমিক পাচ্ছেন প্রায় ৪ কোটি টাকার বিশেষ ভাতা

খেজুরের রসে জীবিকা নির্বাহ করছেন গাছি আব্দুল মান্নান

মোঃ আখতার হোসেন হিরন :

শীতকালে খেজুরের রসের চাহিদা বেড়ে যায়,সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা অঞ্চলে মানুষের সেই চাহিদা মেটাচ্ছেন গাছি আব্দুল মান্নান (৭০)। তিনি দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে আশেপাশের গ্রাম গুলোতে শীতের সকালে খেজুর রস লাগবে খেজুর রস! এরকম হাকডাকে রস বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তবে এখন খেজুর গাছ কমে যাওয়ায় তাকে আর গ্রামে গ্রামে ঘুরে রস বিক্রি করতে হয়না। তার খেজুরের রসের টানে বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রতিদিন মানুষ ভিড় জমান গাছি আব্দুল মান্নানের বাড়িতে।

তার নিজের কয়েকটি গাছ সহ আশেপাশের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে খেজুর গাছ থেকে রস পেরে/ কিনে মৌসুমি ব্যবসা করে যাচ্ছেন। এ বছর ২০/২৫টি খেজুর গাছ পরিচর্যা করে মৌসুমি চুক্তিতে গাছগুলো থেকে প্রতিদিন অন্তত ৫০-৬০ লিটার রস সংগ্রহ করেন। লিটারপ্রতি ৮০-১০০ টাকা বিক্রি করেন।

গাছি আব্দুল মান্নান বলেন, ‌আমার গ্রামসহ আশেপাশের কয়েকটি গ্রাম থেকে ২০-২৫ টি খেজুর গাছ লাগিয়েছি।
ডিসেম্বর মাসের শেষ দিক থেকে রস নামানো শুরু করে এখন রস বিক্রি করে যাচ্ছি।

আমি ভোররাত থেকে রস নামিয়ে থাকি। প্রতি লিটার ৮০-১০০ টাকা দরে মানুষকে দেই। এখানে খেজুরের গাছ কম থাকায় ব্যাপক চাহিদা আছে। তিনি আরও বলেন, ‘রসের ব্যবসা মাত্র তিন মাসের। পুরো বছর এই তিন মাসের অপেক্ষায় থাকি। ডিসেম্বর থেকে গাছের পরিচর্যায় আমি কাজ করছি। খেজুরের রস নিতে এসে না পেয়ে ফিরে যাচ্ছিলেন রাকিবুল। তিনি বলেন, রস পাওয়া যাবে বলে সিরাজগঞ্জ রোড থেকে এসেছিলাম। তবে আমরা অবেলায় আসার কারণে আজ পাইনি। অন্য কোনো দিন সময় অনুযায়ী আবার আসবো। সিরাজগঞ্জে খেজুরের রস বিক্রির এই মৌসুমি ব্যবসা গ্রামীণ অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপায় হিসেবে প্রান্তিক কৃষকদের জীবিকা নির্বাহ করছে।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০