আলী আশরাফ : ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগের চিন্তা করেছিল, ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য অপেক্ষা করেছিল। মানুষ মন খুলে ভোটও দিয়েছে কিন্তু প্রসাশন নির্বাচন অন্যদিকে নিয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও বিরোধীদলীয় হুইফ মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন।

রোববার (২২ মার্চ ২০২৬) দুপুরে সিরাজগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমিতে জেলা জামাত ইসলামী আয়োজিত এক ঈদ পুনর্মিলনি অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।তিনি বলেন, গত দেড় বছর আওয়ামী লীগের চেহারা দেখা যায়নি। কিন্তু ভোটের দিন তারা তাদের চিরশত্রু ধানের শীষকে ভোট দিয়েছে।তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ইন্টেটেরিম সরকারের এক অন্যতম উপদেষ্টা রাজস্বাক্ষী হয়ে বলেছেন, নির্বাচনে তাদেরকে ( জামায়াত) কে মেইন স্ট্রিমে আসতে দেইনি। তিনি বলেন, বহু শক্তি প্রভাবিত করে জামায়াততে নির্বাচনে হারিয়েছে। কিন্তু যত চেষ্টাই করেন মানুষকে জামায়াতের মন থেকে মুছতে পারবেন না৷ বিরোধী দলীয় হুইপ আরও বলেন, আমরা সরকারের ভালোকাজকে সহযোগীতা করবো। সরকারের দেশবিরোধী সকল কাজের বিরোধিতা করবো। দেশের স্বার্থে দশের স্বার্থে। সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহনের দুটি শপথই গ্রহণ করেছি। সরকারি দল সেটি করেনি। বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ইন্টেরিম সরকারের কথা তো সংবিধানে নেই। তাহলে তাদের অধীনে নির্বাচনে গেলেন কেন? তিনি আরো বলেন, ফ্যাসিবাদি সরকারের পতনের জন্য প্রায় ২ হাজার মানুষ জীবন দিয়েছেন। জুলাই বিপ্লব অস্বীকার করার মানে জুলাইকেই অস্বীকার করার শামিল।

আমরা আল্লাহ সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য আল্লাহর আইন ও সৎ লোকের শাসন না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাব। আগত জামাত নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সমাজের অঘোষিত নেতাদেরকেও সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে। ওমর (রা) মতো সাহসী লোকদের আমরা সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত করতে হবে। যড়যন্ত্র করে ইসলামকে দমানো যাবে না।
আমাদের লড়াই চালাতেই হবে। বিশেষ অতিথি ছিলেন ড. শায়েখ আব্দুস সামাদ, ড. অ্যাডভোকেট মো: হেলাল উদ্দিন, জেলা জামাতের নায়েবে আমির অধ্যক্ষ আলী আলম মাওলানা আব্দুস সালাম, সহকারি সেক্রেটারি অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, সদর জামাতের আমির এডভোকেট নাজিমউদ্দিনসহ জেলা শাখার থানাগুলোর আমির, নায়েব আমীর, সেক্রেটারিঅন্যান্য নেতৃবৃন্দ।এতে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা শাহিনুর আলম।অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা জামাতের সেক্রেটারি মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম।
ঢাকার বাইরে অবস্থানরত জামায়াত ও ছাত্র শিবির সাবেক বর্তমান নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।






