মোঃ হোসেন আলী ছোট্র :
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলা ঝাঐল ইউনিয়নের ভারাঙ্গা গ্রামে প্রতিবেশীদের অবহেলায় পুকুরে পায়খার মল ও ময়লা আবর্জনা ফেলার কারণে পানি বিষাক্ত হয়ে মরে ভেসে উঠল দুই লক্ষাধিক টাকার মাছ।
সোমবার (১৩ এপ্রিল ২০২৬) বিকাল ৩ ঘটিকার দিকে মাছ ফেসে উঠা শুরু করে। নানা পদক্ষেপের পরেও কোন উন্নতি না হওয়ায় ধীরে ধীরে সমস্ত মাছ মরে ভেসে উঠে। পঁচা মাছের দুর্গন্ধে এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় পুকুরের উপরে মাছের স্তুপের পাশে কান্নাকাটি করছে মৎস চাষী মোঃ রফিকুল ইসলাম ময়নাল।
তার সাথে কথা হলে তিনি অভিযোগ করে বলেন,আমি দীঘদিন ধরে মাছ চাষ করছি।আমি এই পুকুরটিতে গত দুই বছর আছে আনুমানিক দুই লক্ষ টাকার মূলধন নিয়ে মাছ চাষ শুরু করি। পুকুরের চারপাশে ১০ থেকে ১২ থেকে পায়খানা থেকো মল ও ময়লা আবর্জনা আমার এই পুকুরে তারা ফেলে।আমি আনেক অনুনয় করে বলে তারা কোন কর্ণপাত করেন না। তারা উল্টো আমাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে বেশী বেশী করে ময়লা ফেলেন।

এলাকার ময় মুরুব্বীদের কাছে দরনা দিয়েও কেউ কোন প্রতিকার করেন না। তারা বলেন আমরা কি করমু এই নিয়ে কি আমরা কার সাথে ঝগড়া ফ্যাসাদ করমু।
রফিকৃল ইসলাম ময়নাল আরো বলেন,এখন প্রতিটি মাচের ওজন ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজন হয়েছে।আমি আর কদিন পরেই মাছগুলি ধরে বিক্রি করা কথা চিন্তা করছিলাম। তার মাঝেই আমার এই ক্ষতি হইলো।আমি এখন কার কাছে বিচার দিমু,কে আমাকে সহযোগিতা করবো।
রফিকুল ইসলাম ময়নালের ছেলে সবুজের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান আমার আব্বা খুব কষ্ট করে পুকুরটিতে মাছ চাষ করেন। কিন্তু পুকুরের চারপাশের বাসিন্দাদের জন্যই মুলত আমাদের এই ক্ষতি হইলো। আমরা অনেক চেষ্টা করেও তাদেরকে মানাতে পারিনাই। আমাদের যা ক্ষতি হয়ে গেছে তা নিয়ে আসলে অভিযোগ করে কোন লাভ নাই তবে সরকারের কাছে আমাদের দাবি আমার আব্বা যেন আবার তার মাছ চাষ করতে পারে তার জন্য আমি সন্তান হিসেবে সরকারের কাছে সহযোগিতা কামনা করছি।

কামারখন্দ উপজেলা মৎস কর্মকর্তা অঞ্জন কুমার রায় ঘটনাটির বিবরণ শুনে খুবই মর্মাহত হন। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত মৎস চাষী য়েন আমার সাথে যোগাযোগ করেন। আমি ইউএনও স্যারের সাথে কথা বলে আমাদের তরফ থেকে যা কিছু করা সম্ভব আমরা তা করবো।






