শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
বেলকুচিতে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ
প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সিরাজগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে ২ হাজার চারা বিতরণ
পঞ্চগড় সদরে মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত-১,গুরুতর আহত ২
সংবাদ প্রকাশের জেরে হুমকি,নিরাপত্তা চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা সাংবাদিক শরীফুল ইসলাম ইন্নার
সিরাজগঞ্জে হোসেনপুর রানার্স ক্লাবের আয়োজনে জমজমাট আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল প্রীতি ফুটবল ম্যাচ
মৃত্যুর ৫১ বছর পরও অবিস্মরণীয় সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ
সিরাজগঞ্জের রায়পুরে রেল জংশন প্রতিষ্ঠার দাবিতে মানববন্ধন
হাতিরঝিলে পরিচ্ছন্নতা অভিযান: গ্রীন ও ক্লিন ঢাকার বার্তা দিল রাজউক জাতীয়তাবাদী শ্রমিক-কর্মচারী দল
কাজিপুরে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত
সিরাজগঞ্জে ধুকুরিয়াবেড়াকে রোল মডেল ইউনিয়ন গড়ার প্রতিশ্রুতি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নূর আলমের

কিশোরগঞ্জে সরকারিভাবে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু

Download Photocard

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি : সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কিশোরগঞ্জ জেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে বোরো মৌসুমের ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রম। 

রোববার (৩ মে ২০২৬) সকাল ১০টা থেকে জেলায় ধান সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়েছে। চলতি মৌসুমে জেলা থেকে মোট ১৮ হাজার ৩৩০ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

জেলা খাদ্য অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে জেলার ১৩টি উপজেলা থেকে মোট ১৮ হাজার ৩৩০ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ থেকে শুরু হওয়া এ সংগ্রহ কার্যক্রম চলবে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান সংগ্রহ করা হবে।

সরকার নির্ধারিত দামে প্রতি কেজি ধান ৩৬ টাকা দরে ক্রয় করা হবে, যা প্রতি মণে দাঁড়ায় ১ হাজার ৪৪০ টাকা। তবে ভেজা বা নিম্নমানের ধান গ্রহণ করা হবে না বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। একজন কৃষক সর্বোচ্চ ৭৫ মণ পর্যন্ত ধান বিক্রি করতে পারবেন। কৃষকদের সুবিধা নিশ্চিত করতে পুরো অর্থ লেনদেন করা হবে ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে, ফলে নগদ লেনদেনের সুযোগ থাকছে না। এতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কৃষক কার্ডধারীদের পাশাপাশি কৃষি অফিসের তালিকাভুক্ত কৃষকদের কাছ থেকেও ধান সংগ্রহ করা হবে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পানির কারণে জেলার ৯ হাজার ৪৫ হেক্টর বোরো ধানক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জেলার হাওরাঞ্চলে।

অষ্টগ্রামের কৃষক আলাল মিয়া বলেন, বৃষ্টির পানিতে আমাদের স্বপ্নের সোনালি ধান তলিয়ে গেছে। পানির কারণে মেশিন দিয়ে ধান কাটতে পারছি না। শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে, আবার বেশি দাম দিয়েও শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। এ বছর বেশিরভাগ কৃষকই ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

আরেক কৃষক জালাল উদ্দীন বলেন, যারা কোনোভাবে ধান কাটতে পেরেছি, তাদেরও সমস্যা শেষ হয়নি। রোদ না থাকায় ধান শুকাতে পারছি না। ফলে সরকারি গুদামের শর্ত অনুযায়ী আর্দ্রতা কমানো সম্ভব হচ্ছে না। বাজারেও ধানের দাম কম। আমরা এখন দুই দিক থেকেই চাপে আছি।

জেলা সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. মোশারফ হোসেন বলেন, চলতি মৌসুমে জেলার ১৩টি উপজেলা থেকে ১৮ হাজার ৩৩০ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ থেকে কেজি প্রতি ৩৬ টাকা দরে ধান ক্রয় কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে ভেজা বা নিম্নমানের ধান কোনোভাবেই গ্রহণ করা হবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০