ফটোকার্ড
রাকিবুল ইসলাম রাকিব সিরাজগঞ্জ:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আদর্শের রাজপথের এক আপসহীন ও ত্যাগী সেনানায়কের নাম মামুন হাশেমী দিপু। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই মেধাবী ও দূরদর্শী ছাত্রনেতা দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দলের প্রতিটি ক্রান্তিকালে জীবন বাজি রেখে কাজ করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক (যা সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদার) এবং ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ-সম্পাদকের দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পালন করেছেন তিনি। বর্তমানে তিনি জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির বিপ্লবী সমাজসেবা সম্পাদক হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। স্বেচ্ছাসেবক দলের আগামী কেন্দ্রীয় কমিটিতে এই সৎ, পরিশ্রমী এবং নিবেদিতপ্রাণ নেতাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ ও শীর্ষস্থানীয় মূল্যায়ন দেখতে চান সারা দেশের সাধারণ নেতাকর্মীরা।

বিগত স্বৈরাচার বিরোধী ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসানের নেতৃত্বে মামুন হাশেমী দিপু জীবনের সর্বোচ্চ ঝুঁকি নিয়ে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করেছে। প্রতিটি মরণপণ মিছিলে তাকে দেখা গেছে একেবারে সম্মুখসারিতে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বড় বড় মূলধারার গণমাধ্যমগুলোতে তাদের সেই প্রতিবাদী মিছিলের ছবি ও ভিডিও ফুটেজ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে প্রচারিত হয়েছে, যা আন্দোলনের গতিকে আরও বেগবান করেছিল।

আন্দোলন দমাতে ফ্যাসিস্ট সরকারের পেটুয়া পুলিশ বাহিনীর হাতে তিনি নির্মমভাবে গ্রেফতার ও চরম শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। দীর্ঘ সময় রাজবন্দী হিসেবে কারাভোগ করলেও ফ্যাসিবাদের কাছে মাথা নত করেননি এই লড়াকু নেতা। কারাগার থেকে মুক্ত হয়েই তিনি পুনরায় রাজপথে নেমে আসেন। দলের জন্য তার এই অপরিসীম আত্মত্যাগ ও নির্যাতিত হওয়ার ইতিহাস আজ তাকে সারা দেশের নেতাকর্মীদের মাঝে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

মামুন হাশেমী দিপু শুধু ঢাকার রাজপথেই সীমাবদ্ধ নন, বরং টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া দেশের প্রতিটি প্রান্তে দলের বড় বড় কর্মসূচি ও মহাসমাবেশ সফল করতে তিনি নিরলসভাবে ছুটে বেড়িয়েছেন। তার তেজস্বী, যুক্তিপূর্ণ ও দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য তৃণমূলের নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করে তোলে।
সাংগঠনিকভাবে তিনি অত্যন্ত দক্ষ ও দূরদর্শী। বিশেষ করে, স্বেচ্ছাসেবক দলের বর্তমান অন্যতম প্রধান স্তম্ভ ও সফল সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসানের অত্যন্ত প্রিয়, বিশ্বস্ত ও স্নেহভাজন ছোট ভাই হিসেবে পরিচিত মামুন হাশেমী দিপু। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সাথে এই নিবিড় সমন্বয় এবং তৃণমূলের প্রতি দায়বদ্ধতা তাকে সংগঠনের একজন অপরিহার্য নেতায় পরিণত করেছে।

রাজনীতির মাঠের বাইরেও দিপু একজন অত্যন্ত মানবিক ও সংবেদনশীল ব্যক্তিত্ব। দলের যেকোনো স্তরের নেতাকর্মী বিপদে পড়লে, কিংবা আর্থিক অনটনে ভুগলে সবার আগে পাশে দাঁড়ান মামুন হাশেমী দিপু। গভীর রাতেও কর্মীর প্রয়োজনে হাসপাতালে বা থানায় ছুটে যেতে তিনি দ্বিধা করেন না। প্রতিটি স্তরের নেতাকর্মীর সাথে তার রয়েছে চমৎকার সুসম্পর্ক এবং গভীর আত্মিক যোগাযোগ।
আসন্ন স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে মামুন হাশেমী দিপুর মতো একজন পরীক্ষিত, মেধাবী এবং রাজপথ কাঁপানো ত্যাগী নেতাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও যোগ্য পদে দেখতে চায় দলটির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা। ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাদের সঠিক মূল্যায়ন করা হলে রাজপথের আন্দোলন আরও শক্তিশালী হবে এবং আগামী দিনে তার হাত ধরেই স্বেচ্ছাসেবক দল সুসংগঠিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতকে আরও শক্তিশালী করবে এমনটাই প্রত্যাশা রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ কর্মীদের।






