ফটোকার্ড
ছাম্মি আহমেদ আজমীর :
সততা,মেধা,কর্মনিষ্ঠা ও দেশসেবার স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছেন উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার সিরাজগঞ্জের কৃতি সন্তান সাইয়েদ এজেড মোরশেদ আলী। তাঁর এ গৌরবময় অর্জনে আনন্দ ও গর্বে উচ্ছ্বসিত সিরাজগঞ্জবাসী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে তাঁকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন শুভাকাঙ্ক্ষী,সহপাঠী ও সহকর্মীরা। ১৯৭৮ সালের ডিসেম্বর মাসে সিরাজগঞ্জ শহরের হোসেনপুর খলিফাপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন সাইয়েদ এজেড মোরশেদ আলী।তিনি ঐতিহ্যবাহী বি.এল.সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৯৯৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী। স্কুল জীবনে অষ্টম শ্রেণিতে বৃত্তি অর্জনের পাশাপাশি এসএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হন।পরে সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি প্রথম বিভাগে পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। এরপর ২৫তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারে যোগদানের মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবনের সূচনা হয়। মেহেরপুর জেলায় ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে প্রশাসনিক জীবন শুরু করে পরবর্তীতে দেশের বিভিন্ন জেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) হিসেবে সততা,দক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে উপসচিব হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।
দীর্ঘ কর্মজীবনে সততা,দক্ষতা, দায়িত্বশীলতা ও পেশাগত সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ সরকার গত ৯ জুলাই তাঁকে যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতি প্রদান করে। কর্মব্যস্ততার মাঝেও নিজ জেলা সিরাজগঞ্জের মানুষের সঙ্গে তাঁর আত্মিক সম্পর্ক অটুট রয়েছে। বন্ধু, সহপাঠী,শুভাকাঙ্ক্ষী এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর আন্তরিকতা,বিনয়ী ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ তাঁকে সবার কাছে একজন প্রিয় ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
সাইয়েদ এজেড মোরশেদ আলী তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন,এই পদোন্নতি শুধু আমার ব্যক্তিগত অর্জন নয় এটি আমার পরিবার,শিক্ষক,সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং সর্বোপরি আমার প্রিয় জন্মভূমি সিরাজগঞ্জের মানুষের দোয়া ও ভালোবাসার ফল। আমি মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি এবং বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তিনি আরও বলেন,সফলতা পরিশ্রম ও অধ্যাবসায়ের মাধ্যমে অর্জন করতে হবে। সিরাজগঞ্জের শিক্ষার্থীদের প্রতি প্রত্যাশা তারা যেনো শিক্ষার প্রতি অনুরাগী হয়ে কঠোর অধ্যবসায়ের মাধ্যমে নিজের মেধা ও যোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে একদিন দেশ সেবায় অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। দেশপ্রেমই একজন মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি। দায়িত্ব যত বড়ই হোক মানুষের কল্যাণে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করাই একজন সরকারি কর্মকর্তার প্রধান দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও সেই আদর্শ ধারণ করে দেশ ও মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চাই। স্বপ্ন দেখতে হবে,কঠোর পরিশ্রম করতে হবে এবং সততার সঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে। নিজের মেধা ও যোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে অবদান রাখতে হবে। আমি যেনো সুস্থ থেকে সততা,নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দেশের সেবা করে যেতে পারি এজন্য আমি সবার কাছে এই দোয়া চাই।




