শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
পঞ্চগড় সদরে মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত-১,গুরুতর আহত ২
সংবাদ প্রকাশের জেরে হুমকি,নিরাপত্তা চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা সাংবাদিক শরীফুল ইসলাম ইন্নার
সিরাজগঞ্জে হোসেনপুর রানার্স ক্লাবের আয়োজনে জমজমাট আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল প্রীতি ফুটবল ম্যাচ
মৃত্যুর ৫১ বছর পরও অবিস্মরণীয় সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ
সিরাজগঞ্জের রায়পুরে রেল জংশন প্রতিষ্ঠার দাবিতে মানববন্ধন
হাতিরঝিলে পরিচ্ছন্নতা অভিযান: গ্রীন ও ক্লিন ঢাকার বার্তা দিল রাজউক জাতীয়তাবাদী শ্রমিক-কর্মচারী দল
কাজিপুরে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত
সিরাজগঞ্জে ধুকুরিয়াবেড়াকে রোল মডেল ইউনিয়ন গড়ার প্রতিশ্রুতি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নূর আলমের
উল্লাপাড়ায় স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকাসহ ১০ লাখ টাকার মালামাল চুরি
ভাঙ্গুড়া পৌরসভায় চলমান উন্নয়ন প্রকল্প সমূহের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

কামারখন্দে নগদ অ্যাকাউন্টের টাকা উধাও,থানায় নারী গ্রাহক

Download Photocard

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ওটিপি বা কোনো প্রকারের নোটিফিকেশন ছাড়াই সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে সালমা খাতুন নামের এক নারীর নগদ অ্যাকাউন্ট থেকে দুই দফায় ৪২ হাজার ২৫০ টাকা উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ জুলাই বিকেল ৫টা ৫২ মিনিটে সালমা খাতুনের অ্যাকাউন্ট থেকে অজ্ঞাতভাবে ১০ হাজার ১৫০ টাকা ০১৬১৪…..১ নম্বরে চলে যায়। পরদিন ৩০ জুলাই বেলা ১১টা ৪৯ মিনিটে আরও ৩২ হাজার ১০০ টাকা ০১৭৭৮…..২ নম্বরে চলে যায়। পরে টাকা তুলতে গিয়ে অ্যাকাউন্টে কোনো অর্থ না থাকায় বিষয়টি তার নজরে আসে।

জানা গেছে, ভুক্তভোগী সালমা খাতুনের নামে থাকা নগদ অ্যাকাউন্টটি ব্যবহার করতেন বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (বিআরডিবি) মাঠকর্মী ও কামারখন্দের বাসিন্দা নার্গিস পারভীন।

এ ব্যাপারে নার্গিস পারভীন বলেন, নগদ অ্যাকাউন্টটি খোলা হয়েছিল সালমা খাতুনের নামে এবং তার সম্মতিতেই। আমি নিয়মিত অন্যান্য গ্রাহকের কিস্তির টাকা এই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে আদায় করতাম। কিন্তু গত ২৯ ও ৩০ জুলাই দুই ধাপে অ্যাকাউন্টে মোট ৪২ হাজার ৩৫০ টাকা আসার পর টাকা তুলতে গিয়ে দেখি অ্যাকাউন্টে কোনো অর্থ নেই। বিষয়টি জানতে পেরে নগদ কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করলে তাকে জানানো হয়, অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়েছে।

ভুক্তভোগী আরও বলেন, আমি কোনো ওটিপি কাউকে দিইনি, কোনো এসএমএস বা ফোনও আসেনি। অথচ অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা চলে গেছে। নগদের গাফিলতির কারণেই প্রতারকরা টাকা তুলতে সক্ষম হয়েছে। আমি আমার টাকা ফেরত চাই।

কামারখন্দ থানার এএসআই মাসুদ রানা  বলেন, বিষয়টি নিয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে। আমি ওসি স্যারের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। তবে ভুক্তভোগী যদি সরাসরি নগদ অফিসে যোগাযোগ করেন, তাহলে দ্রুত সমাধান পাওয়া যেতে পারে।(সুত্র-কালবেলা)

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০