,
সর্বশেষ
সিরাজগঞ্জে বিএনপি নেতা নুর কায়েম সবুজের ৫৮তম জন্মদিন উদযাপন
মহাদেবপুরের প্রথিতযশা গণিত শিক্ষক ‘বড় বিএসসি স্যার’ মোখলেছুর রহমানের ইন্তেকাল
ভাঙ্গুড়ায় মাদকসেবনের অভিযোগে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অর্থদন্ড ও কারাদণ্ড
পঞ্চগড়ে অমর খানা ইউনিয়নে অসহায় পরিবারের পাশে বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান
জামালপুরে মাদকের বিরুদ্ধে মুসলিমাবাদে তীব্র প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল
টাঙ্গাইলে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির উদ্বোধন
নাটোরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করায় জরিমানা
সিরাজগঞ্জের খলিফাপাড়ায় ব্রাজিল ভক্তদের উৎসব,জয়ের প্রত্যাশায় প্রীতিভোজ
তাড়াশে ১০ অসহায় পরিবারের মাঝে অটোরিকশা উপহার দিলেন এমপি আয়নুল হক
সিরাজগঞ্জ জেলা ট্রাক এবং কাভার্ড ভ্যান পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে মৃত শ্রমিকদের নমিনীদের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান

মহাদেবপুরের প্রথিতযশা গণিত শিক্ষক ‘বড় বিএসসি স্যার’ মোখলেছুর রহমানের ইন্তেকাল

ফটোকার্ড


এস এ উজ্জ্বল,নঁওগা প্রতিনিধি : পূর্ব বাংলার সুপরিচিত গণিত শিক্ষক ও নওগাঁর মহাদেবপুরের শিক্ষাঙ্গনের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র মোঃ মোখলেছুর রহমান (বড় বিএসসি স্যার) আর নেই। বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় আক্রান্ত হয়ে তিনি রোববার (৫ জুলাই) সকালে মহাদেবপুর উপজেলা সদরের কলোনীপাড়ায় নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল প্রায় ৯০ বছর।
মোখলেছুর রহমান দীর্ঘদিন মহাদেবপুর সর্বমঙ্গলা উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি অবসর গ্রহণ করেন। শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের মানুষের কাছে তিনি ‘বড় বিএসসি স্যার’ নামেই সমধিক পরিচিত ছিলেন।
তিনি ১৯৩৬ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫৪ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় বোর্ড স্ট্যান্ড করেন। পরে ১৯৫৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে গণিতে ডিস্টিংশনসহ বিএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন, যা সে সময়ের একটি উল্লেখযোগ্য কৃতিত্ব ছিল।
১৯৬০ সালের দিকে তিনি পরিবারসহ বাংলাদেশে চলে আসেন এবং ১৯৬১ সালে মহাদেবপুর সর্বমঙ্গলা উচ্চ বিদ্যালয়ে বিএসসি শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তাঁর অসাধারণ মেধা, দক্ষ পাঠদান, শৃঙ্খলা ও সততার জন্য তিনি অল্প সময়েই একজন আদর্শ শিক্ষক হিসেবে সবার শ্রদ্ধা অর্জন করেন। তাঁর হাতে গড়া অসংখ্য শিক্ষার্থী বর্তমানে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন।
মৃত্যুকালে তিনি তিন ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, ছাত্র, শুভাকাঙ্ক্ষী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
রোববার বাদ আসর মহাদেবপুর হাইস্কুল মাঠে তাঁর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে মহাদেবপুর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। তাঁর মৃত্যুতে মহাদেবপুরের শিক্ষাঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শেয়ার করুনঃ