শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
সিরাজগঞ্জে লেনদেন সংক্রান্ত জেরে ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যু !
বেলকুচিতে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ
প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সিরাজগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে ২ হাজার চারা বিতরণ
পঞ্চগড় সদরে মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত-১,গুরুতর আহত ২
সংবাদ প্রকাশের জেরে হুমকি,নিরাপত্তা চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা সাংবাদিক শরীফুল ইসলাম ইন্নার
সিরাজগঞ্জে হোসেনপুর রানার্স ক্লাবের আয়োজনে জমজমাট আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল প্রীতি ফুটবল ম্যাচ
মৃত্যুর ৫১ বছর পরও অবিস্মরণীয় সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ
সিরাজগঞ্জের রায়পুরে রেল জংশন প্রতিষ্ঠার দাবিতে মানববন্ধন
হাতিরঝিলে পরিচ্ছন্নতা অভিযান: গ্রীন ও ক্লিন ঢাকার বার্তা দিল রাজউক জাতীয়তাবাদী শ্রমিক-কর্মচারী দল
কাজিপুরে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

গ্রীষ্মের ফল বর্ষায়! নওগাঁয় সাড়া ফেলেছে কালো তরমুজ

ফটোকার্ড

রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

তরমুজ মানেই গ্রীষ্মকাল, রোদ-পুড়া দুপুর, আর ঠান্ডা একফালি মিষ্টি ফলের স্বাদ। তবে এবার নওগাঁয় গ্রীষ্মের সেই তরমুজ দেখা গেল বর্ষাতেই! জেলার রাণীনগর ও সদর উপজেলার কৃষকরা এবার উচ্চ ফলনশীল হাইব্রিড ‘মার্সেলো’ জাতের কালো তরমুজ চাষ করে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন।

আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সহায়তায় এই বর্ষাকালীন তরমুজ এখন স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে নতুন সম্ভাবনার উৎস হয়ে উঠেছে।

জেলা কৃষি বিভাগের ‘আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি প্রদর্শনী’ প্রকল্পের আওতায় রাণীনগরের কাশিমপুর ও সদরের বর্ষাইল ইউনিয়নে পরীক্ষামূলকভাবে প্রায় এক একর জমিতে এ তরমুজ চাষ হচ্ছে। মাচা পদ্ধতিতে ঝুলছে কালো রঙের লম্বাটে আকৃতির তরমুজ, যা দেখতে যেমন নজরকাড়া, খেতেও সুস্বাদু। প্রতিদিনই আশপাশের এলাকার উৎসাহী কৃষকরা এই ক্ষেত দেখতে আসছেন—যা নতুন উদ্যম তৈরি করছে কৃষকদের মাঝে।

কাশিমপুর ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আতিকুর রহমান জানান, “মার্সেলো জাতটি ভাইরাস সহনশীল এবং মাত্র ৬০–৬৫ দিনের মধ্যেই ফসল তোলা যায়। বর্ষাকালে প্রতিটি তরমুজের গড় ওজন হয় ৩–৫ কেজি। তবে শীতকালে মাটিতে চাষ করলে ফলন আরও বাড়ে। মালচিং পদ্ধতিতে চাষ করলে ফলন ও গুণগত মান—দুটোই উন্নত হয়।”

কাশিমপুর ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের তরমুজ চাষী নিরাঞ্জন চন্দ্র জানান, তিনি ২৫ শতাংশ জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করেছেন, কোনো রাসায়নিক সার বা বালাইনাশক ছাড়াই। পাশাপাশি তিনি উচ্চ ফলনশীল শসাও উৎপাদন করছেন। তিনি জানান, বাজারে কেজি প্রতি ৫০–৬০ টাকা দাম পেলে এ চাষ তার জন্য লাভজনক হয়ে উঠবে।

রাণীনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা. মোস্তাকিমা খাতুন চৈতি বলেন, “কৃষি বিভাগ এখন গতানুগতিক পদ্ধতির বাইরে এসে আধুনিক, লাভজনক ও বিষমুক্ত কৃষি চর্চায় কৃষকদের উৎসাহিত করছে। মার্সেলো জাতের তরমুজ তারই একটি সফল উদাহরণ। ভবিষ্যতেও এমন উদ্ভাবনী ও লাভজনক ফসল চাষে কৃষি বিভাগের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০